ময়দান আপডেট: মাত্র এক সপ্তাহ আগে লাল বলে ভারতীয় দলকে কার্যত ধূর্লিসাৎ করে উৎসবে মেতেছিল প্রোটিয়ানরা। তবে এবার রবিবাসরীয় মেগা ডুয়েলে টেম্বা ভাবুমার অনুপস্থিতিতে সাদা বলে মাঠে নামা আদিন মার্করামের দলকে পাল্টা জবাব দিয়ে রো-কো জুটি প্রমাণ করে দিলেন যে এখনও তাদের রোখা এত সহজ কাজ নয়। ইতিমধ্যেই টেস্ট ও টি-20 ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তি বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। তবে শেষ ভরসা ওয়ানডে ক্রিকেটেও তাদের পারফরম্যান্স নিয়ে কাটাছেঁড়া চলেছে অনবরত। তবে দুইদিন আগেই ভারতীয় দলের বোলিং কোচ তথা প্রাক্তন প্রোটিয়ান তারকা পেসার ডেইল স্টেইন সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিয়ে বলেছিলেন বিরাট ও রোহিতদের মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা যতদিন খেলতে চায় খেলার সুযোগ দেওয়া উচিত। পাশাপাশি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও রো-কো জুটিকে দেখা যাবে বলে জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ডেইল স্টেইন। আর রবিবার ধোনির ঘরের মাঠে সেই সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিলেন স্বয়ং বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান প্রোটিয়ান অধিনায়ক। আর শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়ালের উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় ভারতীয় দল। তবে এরপর বিরাট ও রোহিতের যুগলবন্দি ইনিংস ম্যাচের রঙ বদলে দেয়। দীর্ঘ দিন পর দেশের মাটিতে এক দিনের ম্যাচ। আর ধোনির ঘরের মাঠে এদিন নিজেকে আবার একবার উজার করে দিলেন কিং কোহলি। ২৮০ দিন পর কোহলির শতরান প্রমাণ করে দিল তিনি ফুরিয়ে যাননি। সাফল্যের খিদে এখনও প্রবল ভাবে বেঁচে। তিনি আবেগপ্রবণ বটে। তবে রাঁচিতে শতরানের পর ওই লাফ বুঝিয়ে দিল, কত কিছু প্রমাণ করার ছিল তাঁর। ক্ষণিকের আবেগের পরই তিনি শান্ত। ধীরে ধীরে ব্যাট, হেলমেট, গ্লাভস খুলে মাটিতে রেখে বিয়ের হারে চুমু খেলেন। আকাশের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বলতেও দেখা গেল। দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শেষ বার শতরান করেছিলেন। এই ফরম্যাটে এখনও তাঁর বিকল্প তৈরি হয়নি। সিডনিতে শেষ ম্যাচে দল না জিতলে সেখানেও শতরান করে ফেলতেন। ১২০ বলে ১৩৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস দলকে উপহার দিলেন বিরাট। কিং কোহলির দাপট আবার একবার অবাক বিস্ময়ে দেখল কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী।

সঙ্গে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে ৫৭ রানের ইনিংস খেললেন রোহিত শর্মা। ১৩৫ রানে বিরাট থামলেও, তারপর সুপার সাইক্লোনের গতিতে দলের রান বাড়াতে থাকেন কেএল রাহুল ও রবীন্দ্র জাদেজা। ৬০ রান যোগ করেন রাহুল ,৩৫ জাদেজা। আর প্রোটিয়ান বোলারদের নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করে ভারত গিয়ে থামল ৮ উইকেটে ৩৪৯ রানে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই প্রোটিয়ান ইনিংসে একের পর এক ধাক্কা দিতে থাকেন হর্ষিত রানা। দ্রুত আউট হয়ে ফিরে যান রিয়ান রিকেলটন, কুইন্টন ডি-কক ও আদিন মার্করাম। এরপর কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন ডি জর্জি ও ম্যাথু ব্রিৎজকে। তবে কুলদীপের বলে ৩৯ রানে ফিরে যান জর্জি। এরপর আরও একটা পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন ব্রেভিস ও ম্যাথু ব্রিৎজকে। তবে ব্রেভিসকে ৩৭ রানে আউট করে দেন হর্ষিত রানা। অন্যদিকে সাউথ আফ্রিকার ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করেন ম্যাথু ব্রিৎজকে। এরপর মাত্র ২৭ বলে দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরি উপহার দেন মার্কো জানসেন।ম্যাথু ব্রিৎজকে ও মার্কো জানসেন এর বিশাল পার্টনারশিপে ভর করে রীতিমতো চাপে ফেলে দেয় ভারতকে। তবে কুলদীপ যাদব একই ওভারে 70 রানে মার্কো জানসেনকে এবং 72 রানে ম্যাথু ব্রিৎজকে ফিরিয়ে দেন । সাউথ আফ্রিকার ইনিংসে তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি করেন করবিন বশ। লাস্ট উইকেট পর্যন্ত ম্যাচ জেতানোর মরিয়া প্রয়াস চালান বশ।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই প্রোটিয়ান ইনিংসে একের পর এক ধাক্কা দিতে থাকেন হর্ষিত রানা। দ্রুত আউট হয়ে ফিরে যান রিয়ান রিকেলটন, কুইন্টন ডি-কক ও আদিন মার্করাম। এরপর কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন ডি জর্জি ও ম্যাথু ব্রিৎজকে। তবে কুলদীপের বলে ৩৯ রানে ফিরে যান জর্জি। এরপর আরও একটা পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন ব্রেভিস ও ম্যাথু ব্রিৎজকে। তবে ব্রেভিসকে ৩৭ রানে আউট করে দেন হর্ষিত রানা। অন্যদিকে সাউথ আফ্রিকার ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করেন ম্যাথু ব্রিৎজকে। এরপর মাত্র ২৭ বলে দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরি উপহার দেন মার্কো জানসেন।ম্যাথু ব্রিৎজকে ও মার্কো জানসেন এর বিশাল পার্টনারশিপে ভর করে রীতিমতো চাপে ফেলে দেয় ভারতকে। তবে কুলদীপ যাদব একই ওভারে 70 রানে মার্কো জানসেনকে এবং 72 রানে ম্যাথু ব্রিৎজকে ফিরিয়ে দেন । সাউথ আফ্রিকার ইনিংসে তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি করেন করবিন বশ। লাস্ট উইকেট পর্যন্ত ম্যাচ জেতানোর মরিয়া প্রয়াস চালান বশ।জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই প্রোটিয়ান ইনিংসে একের পর এক ধাক্কা দিতে থাকেন হর্ষিত রানা। দ্রুত আউট হয়ে ফিরে যান রিয়ান রিকেলটন, কুইন্টন ডি-কক ও আদিন মার্করাম। এরপর কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন ডি জর্জি ও ম্যাথু ব্রিৎজকে। তবে কুলদীপের বলে ৩৯ রানে ফিরে যান জর্জি। এরপর আরও একটা পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন ব্রেভিস ও ম্যাথু ব্রিৎজকে। তবে ব্রেভিসকে ৩৭ রানে আউট করে দেন হর্ষিত রানা। অন্যদিকে সাউথ আফ্রিকার ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করেন ম্যাথু ব্রিৎজকে। এরপর মাত্র ২৭ বলে দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরি উপহার দেন মার্কো জানসেন।ম্যাথু ব্রিৎজকে ও মার্কো জানসেন এর বিশাল পার্টনারশিপে ভর করে রীতিমতো চাপে ফেলে দেয় ভারতকে। তবে কুলদীপ যাদব একই ওভারে 70 রানে মার্কো জানসেনকে এবং 72 রানে ম্যাথু ব্রিৎজকে ফিরিয়ে দেন । সাউথ আফ্রিকার ইনিংসে তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি করেন করবিন বশ।

লাস্ট উইকেট পর্যন্ত ম্যাচ জেতানোর মরিয়া প্রয়াস চালান বশ। তবে শেষ রক্ষা হল না। ৩৩২ রানে অলআউট হয়ে যায় সাউথ আফ্রিকা। ৬৭ রানে আউট হন করবিন বশ। ১৭ রানে জয়লাভ করে ভারত।

