পঞ্জাবকে সমীহ করেও, সুপার সেমিতে জয়ের খোঁজে অস্কার

সুপার কাপ ফাইনালের লক্ষ্যে গোলের খোঁজে অস্কার

0
52

 

ময়দান আপডেট: সুপার কাপের ডার্বিতে মোহনবাগানকে গোলশূন্য রুখে দিয়ে এখন সুপার কাপ জয়ের কাউন্টডাউন শুরু লাল-হলুদ বাহিনীর। বৃহস্পতিবার গোয়ার ফাতোরদা স্টেডিয়ামে পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে সেমিফাইনালের হাইভোল্টেজ মহারণে খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। তুলনামূলক ভাবে ধারেভারে কাগজে-কলমে হয়তো পঞ্জাব এফসির থেকে অনেকটাই শক্তিশালী অস্কার ব্রুজোঁর দল। তবে প্রতিপক্ষকে যে তিনি যথেষ্ট সমীহ করছেন তা কলকাতায় শেষ দিনের অনুশীলনের পরেই স্পষ্ট করে দেন অস্কার। তাই গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলে গোয়া থেকে কলকাতা ফিরেই সময় নষ্ট না করে পুরোদমে অনুশীলনে নেমে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। প্রতিদিন যুবভারতীর প্রাকটিস গ্রাউন্ডে প্রশিক্ষণ সারে দল। পাশাপাশি গোয়ার পরিবেশ ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সেমিফাইনাল শুরুর সাতদিন আগেই ২৭ তারিখ গোয়া পৌঁছে গিয়েছে লাল-হলুদ ফুটবলাররা। ২৮ তারিখ ডেম্পোর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলে ইস্টবেঙ্গল। আর ওই ম্যাচে জয় লাভও করে অস্কারের ছেলেরা। ফলে সেমিফাইনালের আগে দলের অনুশীলনে বেশ চনমনে মেজাজে অনুশীলনে দেখা যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের।

পঞ্জাব দলের প্রধান শক্তি তাঁরা মূলত ফিজিক্যাল ফুটবল খেলতে পছন্দ করে। শারীরিক ভাবে অনেকটাই শক্তিশালী পঞ্জাবের ফুটবলাররা। তবে গত কয়েক দিনের অনুশীলনে নিজেদের ঝালিয়ে নিয়ে শারীরিক ভাবেও পঞ্জাবকে টেক্কা দিতে মুখিয়ে ইস্টবেঙ্গল। দুই সাইডব্যাক পঞ্জাবের না থাকলেও, তাঁদের মাঝমাঠের ডিফেন্স ভেঙে গোলের খোঁজে লাল-হলুদ বাহিনী। ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনের শুরুতে দেখা যাচ্ছে দলের ফুটবলাররা নিজেদের মধ্যে কিছু মজার গেমস খেলার পর, মূলত কর্ণার থেকে গোল করা সহ বিভিন্ন পজিশন থেকে গোলমুখ খোলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এবং পাশাপাশি পেনাল্টি শুটআউটের প্রশিক্ষণও চলছে গোয়াতে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনে। দলের সিনিয়র ফুটবলারদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা সারছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। ফলে কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে সাবধানি ফুটবল খেলে ম্যাচ জিতে সুপার কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করাই মূল মন্ত্র অস্কারের।

সূত্রের খবর ডার্বির মতো সুপার কাপের সেমিফাইনাল দেখতেও ৪ তারিখ ফাতোরদা স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকবেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের শীর্ষ কর্তাদের পাশাপাশি বেশ কিছু ইস্টবেঙ্গল ফ্যানস ক্লাবের সমর্থকরা। ফলে সাগর সৈকতের শহর গোয়া থেকে ট্রফি নিয়ে শহরে ফেরার সৌভাগ্য মাহেশ-হামিদ-সাউলদের হয় কিনা এখন সেটাই দেখার !

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here