ময়দান আপডেট: টস ভাগ্য যে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে না সেটা পর-পর দুই টি-২০ ম্যাচেই প্রমাণ করে দিল ভারত ও সাউথ আফ্রিকা দুই দলই। প্রথম টি-২০ ম্যাচে কটকে টস জিতেও ভারতের কাছে ১০১ রানের বিরাট ব্যবধানে হারতে হয়েছিল সাউথ আফ্রিকাকে। আর এদিন ঠিক একই ভাবে ভারত টস জিতলেও, ৫১ রানে প্রোটিয়ানদের কাছে আটকে গেল টিম ইন্ডিয়া। ফলে ১-১ এ সিরিজে সমতায় ফিরল সাউথ আফ্রিকা। এককথায় বলা যায় দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে দুর্দান্ত কামব্যাক সাউথ আফ্রিকার। প্রোটিয়ানদের ২১৩ রানের বিরাট টার্গেটের সামনে চাপের মুখে ধরাশায়ী ভারত। তিলক বর্মার ৬২ রানের ইনিংসের পরেও সাউথ আফ্রিকার বোলিং এর সামনে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। ফলে সিরিজে সমতায় ফিরল সাউথ আফ্রিকা।

এদিন নিউ চন্ডিগড়ে টস জিতে প্রথমে সাউথ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠায় ভারত। আর ইনিংসের শুরুতে রেজা হেন্ড্রিক্স ফিরে গেলেও, এরপর অধিনায়ক আদিন মার্করামকে সঙ্গে নিয়ে এক বিধ্বংসী ব্যাটিং শুরু করেন কুইন্টন ডি-কক। কার্যত সুপার সাইক্লোনের গতিতে ভারতীয় বোলারদের একের পর এক বাউন্ডারি,ওভার-বাউন্ডারি হাঁকাতে থাকেন তিনি। আর এদিন ভারতীয় বোলাররা কার্যত বলের লাইন-লেন্থ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। সঙ্গে একের পর এক ওয়াইন্ড বল করতে থাকেন আর্শদীপ সিং, হার্দিক পান্ডিয়ারা। পাশাপাশি মাঠে ডিউ ফ্যাক্টর থাকায় আরও চাপে ফেলে দেয় ভারতকে। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত গতিতে স্কোর বোর্ডে রান তাড়া করতে থাকেন ডি-কক। নিজের হাফসেঞ্চুরি অতিক্রম সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যান তিনি। মার্করাম ২৬ বলে ২৯ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর বলে ফিরে গেলেও, অন্যদিকে স্ব-মেজাজে ব্যাট চালাতে থাকেন কুইন্টন। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৯০ রান করে রান আউট হয়ে ফিরে যান ডি-কক। তাঁর ইনিংসে ছিল ৫টা চার ও ৭ টা ছয়। এরপর ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান ফেরেরা ও ডেভিড মিলার। ১৬ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন ফেরেরা। ১২ বলে ২০ অপরাজিত মিলার। সাউথ আফ্রিকা তোলে ৪ উইকেটে ২১৩ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে সাউথ আফ্রিকার বিরাট টার্গেটের সামনে রান তাড়া করতে নেমে রীতিমতো চাপে পড়ে যায় ভারত। আর এদিন আবারও ব্যর্থ দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও শুভমান গিল। আর কবে রানে ফিরবেন অধিনায়ক সূর্য ? এটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। কারণ সামনেই টি-২০ বিশ্বকাপ অথচ রানের ধারে-কাছেও নেই সূর্য। ফলে অধিনায়কের ব্যাটিং এর এই হাল হলে অবশ্যই চরম সমালোচনার মুখে পড়তে হবে তাঁকে। এদিন মাত্র ৫ রানে ফিরে যান তিনি। আর শুভমান গিল ১ বলে ০। ফলে দলের ব্যাটিংলাইন নিয়ে বার-বার প্রশ্ন উঠছে। এদিন অভিষেক শর্মা ফিরে যান ৮ বলে ১৭ রান করে। তবে কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন অক্ষর প্যাটেল ও তিলক বর্মা। তবে ২১ রানেই অক্ষরকে থামিয়ে দেন বাটম্যান। ফলে ক্রমশ ওভার পিছু রানের টার্গেট বাড়তে থাকে। তাই চাপের মুখে পড়ে মারতে গিয়ে একে-একে ফিরে যান জীতেশ শর্মা, হার্দিক পান্ডিয়ারা। ৬২ রানে নুঙ্গি এনগিডি ফিরিয়ে দেন তিলক বর্মাকে। ফলে আর শেষরক্ষা করা সম্ভব ছিল না ভারতের কাছে। ১৬২ রানেই অলআউট হয়ে যায় ভারত। দুর্দান্ত বোলিং উপহার বাটম্যানের। তুলে নেন ৪ উইকেট।
নয়া হেডস্যার লোবেরার সামনে ফাস্ট ডে-তে গুড বয় ইমেজ ফুটবলারদের

