সোনালি চ্যাটার্জী, প্রতিনিধি
ময়দান আপডেট: শনিবার কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে ২-১ গোলে মহামেডান স্পোর্টিংকে হারিয়ে জয়ী ব্যাঙ্গালুরু এফসি। তবে জিতলেও খুব একটা মন ভরাতে পারলেন না সুনীলরা। ২২ মিনিটে রায়ান উইলিয়ামস ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন ও ৪২ মিনিটে প্রাক্তন মোহনবাগানি আশিক কুরুনিয়ানের গোলে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধের শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল ব্যাঙ্গালুরু এফসি। আর খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ব্যাঙ্গালুরুর পোস্টে একটি গোল করেন মহীতোষ রায়। ফলে ৪ ম্যাচে ২ টি জয়, ১ টি ড্র ও ১ টি হার নিয়ে ৭ পয়েন্ট ব্যাঙ্গালুরুর। ষষ্ঠ স্থানে তারা। অন্যদিকে সবার শেষে মহামেডান স্পোর্টিং।

মহামেডানের গত ম্যাচের পারফরম্যান্সগুলো কোথাও যেন আগে থেকেই আভাস দিয়ে গিয়েছিল আজকের ম্যাচের ফলাফলটা কি হতে চলেছে। বল পায়ে আক্রমনে উঠে আসার কথা প্রতিপক্ষ স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রীর। সেই আক্রমণগুলো কিভাবে রুখবে মহামেডান তা দেখার যেন কোনো উৎসাহই ছিল না এদিন সমর্থকদের। গ্যালারিতে থাকা গুটিকয়েক সমর্থকদের প্রায় দূর থেকে গুনেই ফেলা যাচ্ছিল। অভিজ্ঞ গুরপ্রীত সিং সান্ধুকে উপেক্ষা করে মহামেডান জালে বল জড়াতে পারবে এই আশা বোধহয় সমর্থকেরা এদিন রাখেনি।

ম্যাচের ২২ মিনিটে রানায়ে উইলিয়াম ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে প্রথম গোল করেন, দ্বিতীয় গোলটি করেন আশিক কুরুনিয়ান। প্রথম থেকে ব্যাঙ্গালুরুর আক্রমনের ঝাঁঝ এবং তাঁদের গোছানো ফুটবল এরপরেই দ্বিতীয় গোল, আশাহত হয়ে দ্বিতীয় গোলের পরেই মাঠ ছাড়েন বেশকিছু সমর্থকরা! কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দেখা যায় অন্য মহামেডানকে। খেলার ৫১ মিনিটের মাথায় মহামেডানের মহীতোষ রায় গোল করেন এবং এরপরেই চাপ বৃদ্ধি করতে থাকে মহামেডান স্পোর্টিং। একটি বল বার পোস্টে লেগে ফিরে আসে,খেলার অতিরিক্ত সময় একটি বল ব্যাঙ্গালুরুর জালে ফার্দিন জড়িয়ে দিলেও, তা ফাউল হিসেবে বিবেচিত হয়! ভাগ্য সহায় থাকলে সুনীলদের সঙ্গে ম্যাচ ড্র করেই মাঠ ছাড়ত মহামেডান।
ডেম্পোর বিরুদ্ধে রবিবার ৩ পয়েন্ট পেতে মরিয়া ডায়মন্ড হারবারের কোচ কিবু ভিকুনা
মহামেডান লড়াই করছে, চেষ্টা করছে। কিন্তু ফিটনেসের দিক থেকে অন্য দলের ফুটবলারদের চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে যে কারনেই হয়তো চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে মেহেরাজউদ্দিন ওয়াদুর ছেলেরা। ছেত্রীরা চার ম্যাচে দুটি জয়,একটি ড্র এবং একটি হারের পর ৭ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। অপরদিকে মহামেডান রয়েছে একদম শেষে। ব্যাঙ্গালুরুর পরবর্তী প্রতিপক্ষ মোহনবাগান। ফলে নিজেদের ঘরের মাঠে এবার মোহনবাগানকে রুখে দেওয়ায় বড় চ্যালেঞ্জ সুনীল ছেত্রীদের।
