প্রিয়াংশু মন্ডল, প্রতিনিধি
ময়দান আপডেট : সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোর তিনটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের জন্য ভারতীয় জাতীয় দলের প্রধান কোচ খালিদ জামিল যে ২৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন, তা ঘিরে ভারতীয় ফুটবল সার্কিটে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আলবিনো গোমস, গুরপ্রীত সিং সান্ধু, প্রভসুখান সিং গিল ও সোম কুমারকে নিয়ে গঠিত গোলরক্ষক বিভাগের পাশাপাশি রক্ষণভাগে অভিষেক সিং টেকচাম, আকাশ মিশ্র, আনোয়ার আলী, বিজয় ভার্গিস, হমিংথানমাউয়িয়া রালতে, জয় গুপ্তা, প্রমবীর ও রিকি মিতেই হাওবাম জায়গা করে নিয়েছেন। অন্যদিকে মিডফিল্ডে অনিরুদ্ধ থাপা, আশিক কুরুনিয়ান, ফারুক চৌধুরী, লালেনমাউয়িয়া রালতে (অপুইয়া), মেকার্টন নিকসন, মোহাম্মদ সানান, রিকি শাবং ও সাহাল আবদুল সামাদ স্থান পেয়েছেন।
এছাড়াও আক্রমণভাগের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে এডমুন্ড লালরিন্দিকা, ইরফান ইয়াদওয়াদ, মনবীর সিং, রহিম আলী, রায়ান উইলিয়ামস ও বিক্রম প্রতাপ সিংয়ের হাতে। রিকি মিতেই, মেকার্টন নিকসন বা প্রমবীরের মতো একাধিক প্রতিভাবান জুনিয়র ফুটবলারকে দলে নেওয়া নিঃসন্দেহে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক এবং ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও, কয়েকজন অতি-পরিচিত ও ফর্মে থাকা মহাতারকার বাদ পড়া নিয়ে তৈরি হয়েছে জোর বিতর্ক। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ডুরান্ড কাপে অবিশ্বাস্য সব সেভ করে দলকে ভরসা দেওয়ার পরও বিশাল কাইথের সুযোগ না পাওয়া, বর্তমান জাতীয় দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা লালিয়ানজুয়ালা ছাঙতে এবং রক্ষণভাগের আসল কাণ্ডারী তথা অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্গানকে বাদ রাখা বেশ বিস্ময়কর।

পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের মতো বিশ্বকাপ খেলা বিশ্বমানের পরাশক্তিদের বিরুদ্ধে যখন ভারত ঘরের মাঠে নিজেদের পরখ করতে নামছে, তখন স্কোয়াডে সিনিয়র ও জুনিয়রদের সঠিক ভারসাম্য বা কম্বিনেশন থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল; কারণ কঠিন মুহূর্তে সন্দেশ বা ছাঙতের মতো অভিজ্ঞদের পাশাপাশি নবীনদের মেলবন্ধন ঘটাতে পারলে তরুণ ফুটবলাররা যেমন বাড়তি আত্মবিশ্বাস ও এক্সপেরিয়েন্স পেতেন, তেমনই দলের সামগ্রিক শক্তি ও পারফরম্যান্স আরও উন্নত হতে পারতো।
