ময়দান আপডেট: রাঁচির পর রায়পুর। আবারও জ্বলে উঠল কিং কোহলির বিরাট ঝলক। কার্যত রাজকীয় মেজাজে প্রোটিয়ান বোলারদের সামনে বিধ্বংসী ব্যাটিং কোহলির। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান সাউথ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা ভাবুমা। উল্লেখ্য এই ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার দলে তিনটি পরিবর্তন করা হয়। দলে কামব্যাক করেন টেম্বা ভাবুমা, কেশব মহারাজ, ও লুঙ্গি এনগিডি। তবে এদিন ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করলেও খুব বেশি সময় ইনিংসে টিকে থাকতে পারেননি রোহিত শর্মা। মাত্র ১৪ রানে রোহিতকে ফিরিয়ে দেন বার্গার। এরপর যশস্বী জয়সওয়ালকে সঙ্গে নিয়ে দলের রানের গতি বাড়াতে থাকেন বিরাট। তবে অতিরিক্ত আক্রমণাত্বক মেজাজে খেলতে গিয়ে যশস্বী জয়সওয়াল ২২ রানে মার্কো জনসনের বলে ভুল শট নিতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরে যান। কিন্তু এরপর চার নম্বরে আসা ঋতুরাজ গায়কোয়াডকে সঙ্গে নিয়ে প্রোটিয়ান বোলারদের কার্যত ডোন্ট কেয়ার করে দ্রুত গতিতে রান তাড়া করতে থাকেন বিরাট-ঋতুরাজ। অসাধারণ একটা বর্ণময় পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন তারা। দুজনেই হাফসেঞ্চুরি পার করে, সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যান। তবে এদিন বেশ কিছু খারাপ ফিল্ডিং, ক্যাচ মিস থেকে পর্যান্ত পরিমাণ অতিরিক্ত বল করায় নিজেদের সামনে টার্গেটের বহর বাড়িয়ে ফেলে সাউথ আফ্রিকা।

এদিন জীবনের প্রথম মাইলস্টোন স্পর্শ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি করলেন ঋতুরাজ। তাঁর লড়াইকে কুর্নিশ জানান কিং কোহলি। তবে ১০৫ রান করে ফিরে যান ঋতুরাজ। অন্যদিকে পর-পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুই ওয়ানডে ম্যাচে দলকে সেঞ্চুরি উপহার দিয়ে গোটা গ্যালারিকে মাতিয়ে দেন কোহলি। ৯০ বলে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজের ৫৩ তম সেঞ্চুরি হাঁকালেন বিরাট। আর এদিনও সেঞ্চুরির পর চেনাভঙ্গিতে বিরাট জাম্প দিলেন কোহলি। তবে এরপর ছয় মারতে গিয়ে ১০২ রানে ফিরলেন কোহলি।

কিন্তু এই জুটি ভেঙে যাওয়ার পর কেএল রাহুল কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করলেও, অপরদিকে যোগ্য পার্টনারশিপের অভাবে কিছুটা চাপে পড়ে যায় ভারত। একটা সময় মনে হচ্ছিল রানটা বোধহয় ৪০০ পেরিয়ে যাবে। তবে শেষ ১০ ওভারে রাহুল-জাদেজারা সেভাবে আক্রমণাত্বক হতে না পারায়, ৫ উইকেটে ৩৫৮ রানে আটকে যায় ভারত। যদিও হাফসেঞ্চুরি করেন কেএল রাহুল। তিনি অপরাজিত থাকেন ৬৬ রানে। ফলে প্রোটিয়ানদের টার্গেট ৩৫৯।

