ময়দান আপডেট: ফাতোরদার রঙ আবারও লাল-হলুদ। অপেক্ষাকৃত হালকা প্রতিপক্ষ হলেও, পঞ্জাব এফসিকে যথেষ্ট সমীহ করছে ইস্টবেঙ্গল। আগেই জানিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। যদিও এদিন খুব একটা জমাটি লড়াই দেখা গেল না গোয়াতে। কিছুটা সহজেই জয় ছিনিয়ে নিল লাল-হলুদ বাহিনী। তবে রেফারির সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। ফলে এদিন সুপার কাপের সেমিফাইনালে পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে জিতে ফাইনালে পৌঁছালেও চাপ বাড়ল ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গল শিবিরে।

এদিন ৩-১ গোলে পঞ্জাব এফসিকে হারিয়ে সুপার কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল এফসি। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে 12 মিনিটে মহম্মদ রশিদ দূরপাল্লার শটে গোল করেন। এরপর 33 বিপিন সিংয়ের হ্যান্ডবল হয়। ফলে 34 মিনিটে পঞ্জাব এফসির ফুটবলার রামিনেজ পেনাল্টিতে গোল করে সমতায় ফেরান। এরপর প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে গোল ইস্টবেঙ্গলের। কর্নার শট নেন মিগুয়েল। গোল করেন কেভিন সিবিল্লে।

প্রতিভা অন্বেষণে আয়োজিত BSL এ সুযোগ থেকে সত্যেই কি বঞ্চিত অনেক প্রতিভা !
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও খেলার গতিতে বিশেষ বদল আসেনি। পালটা আঘাত হানার সুযোগই পায়নি পাঞ্জাব। সীমিত সামর্থ্য নিয়ে ইস্টবেঙ্গল রক্ষণকে সেভাবে বেগে ফেলতে পারেননি রামিরেজরা। বরং ৭১ মিনিটে আরও একটি গোল করে ইস্টবেঙ্গলের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন অধিনায়ক ক্রেসপো। ম্যাচের 71 মিনিটে সাউল ক্রেসপোর গোলে আরও এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ফলে জিতে ফাইনালে জায়গা করে নিল লাল হলুদ বাহিনী। তবে শুধুমাত্র পঞ্জাব এফসিকে হারানো নয় এদিন সেভাবে দুর্দান্ত মাপের ফুটবল উপহার দিয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড যা ফাইনালের আগে যথেষ্ট স্বস্তি দেবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের।


[…] পঞ্জাবের সহজ ডিফেন্স ভেঙে ৩-১ গোলে জিত… […]