ময়দান আপডেট: বছরের শেষ টি-২০ ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে বিরাট রানের লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে আমেদাবাদে হাইস্কোরিং ম্যাচে দুর্দান্ত জয় ভারতের। আর তারই সঙ্গে ২০২৫ সালের শেষ আন্তর্জান্তিক সিরিজে ৩-১ এ প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে নিল ভারত। তবে এই ম্যাচে অবিশ্বাস্য হার্দিকের সুপার সাইক্লোন দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। ব্যাটে নেমে থেকে প্রোটিয়ান বোলারদের বিরুদ্ধে তান্ডব শুরু করেন তিনি। ১৬ বলে ৫০ রান টিম ইন্ডিয়ার স্কোর বোর্ডে যোগ করলেন হার্দিক পান্ডিয়া! আর তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন তিলক বর্মা। তিনিও এদিন ঝড়ো ইনিংস খেলেন। ২৫ বলে ৬৩ রান করে আউট হন হার্দিক পান্ডিয়া। হার্দিকের ইনিংসে ছিল ৫ টা চার ও ৫ টা ছয়। অন্যদিকে তিলক বর্মা ৪২ বলে ৭৩ রান করে আউট হন। তাঁর ইনিংসে ছিল ১০ টা চার ও একটি ছয়। হার্দিক ও তিলক বর্মার সুপার সাইক্লোনে জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ২৩১ রান তোলে ভারত। তবে এদিন ভারতের ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক মেজাজে ব্যাট চালাতে থাকেন সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। এদিন ম্যাচে শুভমানের চোট থাকায় দলে কামব্যাক করেন স্যামসন। আর দলে সুযোগ পেয়েই দুর্দান্ত ছন্দে ব্যাট করেন তিনি। এদিন ২২ বলে ৩৭ রান করেন তিনি। অন্যদিকে ২১ বলে ৩৪ রানের ইনিংস দলকে উপহার দেন অভিষেক শর্মা।

ভারত এই সিরিজে জয় পেলেও আবারও ব্যর্থ অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। অধিনায়ক হিসাবে ফিল্ডিং সাজানো থেকে, বোলারদের সঠিক সময়ে ব্যবহার করা সমস্ত বিভাগে যোগ্য অধিনায়ক হিসাবে সূর্য সফল হলেও, ব্যাট হাতে এই সিরিজেই চূড়ান্ত ব্যর্থ তিনি। এদিন ৫ রানে আউট হয়ে যান তিনি। ফলে দীর্ঘদিন রানের বাইরে সূর্যকুমার। যদিও অধিনায়কের ব্যর্থতা এই সিরিজে ঢেকে দিয়েছেন ভারতীয় দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা।

আর এদিন সাউথ আফ্রিকা জবাবে ব্যাট করতে নেমে তাদের ইনিংসের শুরুটাও ছিল বিধ্বংসী মেজাজে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক মেজাজে দলের রান বাড়াতে থাকেন কুইন্টন ডি-কক। ডি-কক যে ভাবে ব্যাট করছিলেন একটা সময় মনে হচ্ছিল হয়তো ম্যাচ জিতে নিতে পারে সাউথ আফ্রিকা। কিন্তু ডি-কক ছাড়া সাউথ আফ্রিকার ইনিংসে সেভাবে কেউই ম্যাচে জয়ের মতো উপযুক্ত লড়াই দিতে ব্যর্থ। একমাত্র কুইন্টন ডি-কক করেন ৩৫ বলে ৬৫ রান। তাঁর ইনিংসে ছিল ৯ টা চার ও ৩ টে ছয়।

এছাড়াও প্রোয়িয়াদের ইনিংসে ১৭ বলে ৩১ রান করেন ব্রেভিস। কিন্তু বরুণ চক্রবর্তী, যশপ্রীত বুমরাহদের বোলিং ভেল্কি সামলাতে ব্যর্থ সাউথ আফ্রিকার অভিজ্ঞ ব্যাটাররা। তার জেরে ভালো লড়াই করেও ২০১ রানে আটকে যান সাউথ আফ্রিকা। ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারায় তারা। ভারতের হয়ে ৪ উইকেট নেন বরুণ চক্রবর্তী, ২ উইকেট বুমরাহ। ফলে ৩০ রানে জিতে ৩-১ এ সিরিজ চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল ভারতীয় দল।
ট্রাভিস হেডের সেঞ্চুরি, চতুর্থ দিনেই জিতে অ্যাসেজ চ্যাম্পিয়ন নিশ্চিত করাই লক্ষ্য কামিন্সের
