ময়দান আপডেট: কলকাতা ফুটবল লিগ শেষ হওয়ার পর বেশ কয়েক মাস কেটে গেছে। বন্ধ আইএসএল। ফলে ভারতীয় ফুটবলে অচলাবস্থা অব্যাহত। আর এই পরিস্থিতিতে বাংলার ফুটবলারদের খেলার মধ্যে সক্রিয় রাখতে বিশেষ ভাবে উদ্যোগী শ্রাচী ও বঙ্গ ফুটবল সংস্থা আইএফএ। তাই আয়োজন করা হচ্ছে বেঙ্গল সুপার লিগ( BSL)। কিন্তু এবার বেঙ্গল সুপার লিগেও ফিক্সিংয়ের অভিযোগ সামনে এনেছেন আইএফএ- এর একজন শীর্ষ কর্তা। উল্লেখ্য এর আগে ২০২৫ সালের কলকাতা লিগে বেশ কিছু ম্যাচে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ সামনে আসে। আর তারপরেই কলকাতা লিগ শেষ হতেই তড়িঘরি কলকাতা পুলিশকে ফিক্সিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় বঙ্গ ফুটবল সংস্থা। আর সেই ঘটনায় তদন্তে নেমে পুলিশ দ্রুততার সঙ্গে কাজ করে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে। আর এবার প্রথমবার শুরু হওয়া বেঙ্গল সুপার লিগেও নাকি বেটিং চক্র কাজ করছে, অভিযোগ এনেছেন আইএফএর-ই একজন পদাধিকারিক। তার জেরে ক্ষুব্ধ শ্রাচী কর্তাদের পাশাপাশি বঙ্গ ফুটবল সংস্থার সদস্যরাও।

সম্প্রতি সামাজিক ও সংবাদ মাধ্যমে বেঙ্গল সুপার লিগ সর্ম্পকে আইএফএর এক পদাধিকারীর ম্যাচ ফিক্সিং সংক্রান্ত কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার শ্রাচী স্পোর্টসের শীর্ষকর্তারা আইএফএ সভাপতি ও সচিবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। তাঁরা আইএফএ কর্তাদের অনুরোধ করেন বেঙ্গল সুপার লিগে ম্যাচ ফিক্সিং ও বেটিং এর যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা তাঁদের প্রতিষ্ঠান ও আইএফএর ভাবমূর্তির পক্ষে হানিকর। তাঁরা আইএফএ কে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশি তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আইএফএর এক সিনিয়র পদাধিকারীর এহেন কুরুচিকর পোস্টের বিষয়েও হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। আইএফএর তরফ থেকে তাদের আশ্বাস দেওয়া হয় বিএসএলের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তারা এ বিষয়ে তদন্তের জন্য কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করবে এবং সঠিক সভায় সংশ্লিষ্ট পদাধিকারীর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হবে।

এদিন এই বিষয়ে আমরা ময়দান আপডেটের পক্ষ থেকে কথা বলেছিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তের সঙ্গে। তিনি আমাদের জানান, “কোনও ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ যদি থেকেও থাকে তাহলে সেটা কেন অফিসিয়ালি শ্রাচী ও আইএফএ-কে না জানিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হল? কারণ এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে শ্রাচী ও আইএফএ। ফলে অফিসিয়ালি না জানিয়ে সংবাদ মাধ্যমে জানান মানে শ্রাচী ও আইএফএ কে অপমান করা। খুব কুরুচিকর মন্তব্য তমাল ঘোষালের নামে লেখা হয়েছে। ফলে শ্রাচীর পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, এই বিষয়ে পুলিশকে দিয়ে তদন্ত করানো হোক। যদি কেউ অভিযুক্ত হয়ে থাকে গ্রেফতার হবে। কারণ বিএসএলে এরকম কিছু হোক তা কাম্য নয়। আইএফএর কমিটিতে আলোচনা করে ওই আইএফএ শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আইএফএ। ইতিমধ্যেই পুলিশকে এই বিষয়ে তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন আইএফএ সচিব।”
হিরোসি থাকলেও, হামিদকে ছেড়ে দিল ইস্টবেঙ্গল! গোপনে অনুশীলন শুরু লাল-হলুদের
