ময়দান আপডেট: গত মরসুমের শেষটা হয়েছিল রবির গোল দিয়ে। অর্থাৎ রবি হাঁসদার গোলেই কেরালাকে সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলার দল। আর ২০২৬ সালের সন্তোষ ট্রফির শুরুটাও হল সেই রবির গোল দিয়েই। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই বাংলার অধিনায়ক রবি হাঁসদার গোলে নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে এগিয়ে যায় সঞ্জয় সেনের বাংলার দল। আর এদিন গোটা ম্যাচ জুড়ে কার্যত নাগাল্যান্ডের ফুটবলারদের বিরুদ্ধে একাধিপত্য চালিয়ে যায় বাংলার ছেলেরা।
এদিন ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের তারকা ফুটবলার সায়ন ব্যানার্জী একটা অনবদ্য হেডে গোল করে আরও এগিয়ে দেয় বাংলার দলকে। ৩৭ মিনিটে সুযোগ পেয়ে যায় নাগাল্যান্ডও। অনবদ্য সেভ করেন বাংলার গোলরক্ষক। প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যান সঞ্জয় সেনের ছেলেরা।

তবে খেলার দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় বাংলা। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে আকাশ হেমব্রমের গোলে স্কোর লাইন হয় ৩-০। এরপর ম্যাচের একদম শেষ লগ্নে নাগাল্যান্ডের পোস্টে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন আকিব নবাব। ফলে সন্তোষ ট্রফিতে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলা অসমের ডিব্রুগড়ের ঢাকুয়াখানা স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪-০ গোলে জয় লাভ করে সফর শুরু করল। ফলে খুশি বাংলার ফুটবল প্রেমীরা। উল্লেখ্য আগামী ২৩ তারিখ শুক্রবার বাংলার পরবর্তী ম্যাচ উত্তরাখন্ডের বিরুদ্ধে।

তবে এদিন সন্তোষ ট্রফিতে মূলপর্বের প্রথম ম্যাচেই বাংলার দলকে জয় উপহার দিলেও ফেডারেশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ কোচ সঞ্জয় সেনের। কার্যত কল্যাণ চৌবের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তিনি। কারণ ম্যাচের আগে সঞ্জয় সেনের চিন্তা ছিল, হোটেল থেকে স্টেডিয়ামের দূরত্ব। কারণ হোটেল থেকে স্টেডিয়ামের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিমি। বাংলা দল যেখানে রয়েছে, সেই জায়গার নাম মানকাটা। যা অসমের ডিব্রুগড় জেলায়। আর খেলতে যেতে হয়েছে লখিমপুর জেলার ঢেকুয়াখানায়। পাশাপাশি বাংলার দলের জন্য ভালো আধুনিকমানের বাসের ব্যবস্থাও নেই! এই কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সঞ্জয় সেন। লোকাল বাসে আমাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে ! অভিযোগ বাংলার কোচের।
সুহেলের ৪ গোল, সবুজ মেরুন ঝড়ে ৮ গোলে উড়ে গেল ইউনাইটেড স্পোর্টস
