ময়দান আপডেট: সন্তোষ ট্রফিতে আবারও ভাগ্য সহায় হল না কেরালার। সেই ফাইনালে পৌঁছালেও, আবারও রার্নাস হয়েই ঘরে ফিরতে হচ্ছে কেরালার ছেলেদের। গত মরসুমে ফাইনালে উঠে বাংলার কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছিল কেরালা। আর এবারও সেই একই স্কোরলাইনে সমাপ্ত হল সন্তোষ ট্রফির ফাইনাল। তবে এবার বাংলা নয়, কেরালার ট্রফি জয়ের স্বপ্নভঙ্গ করে দিল সার্ভিসেস। অষ্টমবারের জন্য সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হল তারা। ম্যাচের ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর, খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আর সেখানেও প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বাজিমাৎ সার্ভিসেসের। ১০৯ মিনিটে অভিষেক পাওয়ারের করা একমাত্র গোলে ফাইনালে কেরালাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিল সার্ভিসেস। দুই বছরের ব্যবধানে আবারও ট্রফি নিজেদের নামে করে নিল তারা। এরআগে ২০২৩-২৪ মরসুমে গোয়াকে ফাইনালে ১-০ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল সার্ভিসেস। আর ২০২৪-২৫ মরসুমে ট্রফি জেতে বাংলা। এবার ২০২৫-২০২৬ মরসুমেও ট্রফি নিজেদের দখলে রাখল সার্ভিসেস। আর কেরালা শেষবার সন্তোষ ট্রফি জিতেছিল ২০২১-২০২২ মরসুমে ফাইনালে বাংলাকে হারিয়ে।

উল্লেখ্য সন্তোষ ট্রফিতে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ফাইনালে মুখোমুখি হল কেরালা ও সার্ভিসেস। দুইবারই ট্রফি জিতল সার্ভিসেস। এরআগে ২০১২-১৩ সালে ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল কেরালা ও সার্ভিসেস। সেইবারও কেরালাকে ফাইনালে পেনাল্টিতে হারিয়ে জেতে সার্ভিসেস। আর এবার খেলা পেনাল্টিতে না গড়ালেও, অতিরিক্ত সময়ে ১ গোলে জিতে নিল তারা।

এদিন প্রচুর দর্শক মাঠে খেলা দেখতে ভিড় করেছিলেন। দুটি দলই একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করলেও, প্রত্যাশিত গোলটা আসছিল না। ফলে মনে হচ্ছিল খেলা হয়তো পেনাল্টিতে নির্ধারিত হবে। তবে ১০৯ মিনিটে সার্ভিসেস বাম প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলে। স্যামুয়েলের বদলি হিসাবে ৬৩ মিনিটে মাঠে নামেন শুভম রানা। ১০৯ মিনিটে কর্ণার ফ্ল্যাগের একেবারে কাছে পৌঁছে শুভম রানা বক্সের মধ্যে একটি দুর্দান্ত সেন্টার করেন। কেরালার গোলরক্ষক বলটাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু বলটি বক্সের সামনে গড়িয়ে চলে যায়।

আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অভিষেক পাওয়ার ডান পায়ে একটি নিচু শট নেন, যা কেরালার খেলোয়াড়দের পাশ কাটিয়ে বল জালে জড়িয়ে যায়। আর সেই জায়গা থেকে গোল শোধ করা সম্ভব হয়নি কেরালার পক্ষে। ফলে ১-০ তে ম্যাচ জিতে ট্রফি নিয়ে সেলিব্রেশনে মেতে ওঠে সার্ভিসেস দলের ফুটবলাররা।
ক্লাবের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে কিশোরভারতীকেই হোম বেছে নিল ইমামি! হতাশ সমর্থকরাও
