ময়দান আপডেট: ৫ উইকেটে ২৪৯ থেকে রঞ্জির দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিং করে বাংলা অলআউট হয় ৩২৮ রানে। অল্পের জন্য দেড়শো করা হল না সুদীপ ঘরামির। ২৪৬ বলে ১৪৬ রানে আউট হয়ে যান সুদীপ।এরপর সোমবার বাংলার ইনিংসে ৪৯ রান যোগ করেন সুমন্ত গুপ্ত। জম্মু-কাশ্মীরের হয়ে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নেন আকিব নবি। ৩ উইকেট নেন সুনীল কুমার।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেই ভালো যায় নি জম্মু-কাশ্মীরের। শুরুতেই জম্মুর ইনিংসে বড়সড় ধাক্কা দেন মহম্মদ শামি ও মুকেশ কুমার। মাত্র ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে প্রথমবার সেমিফাইনালে ওঠা জম্মু-কাশ্মীর। তবে এরপর চতুর্থ জুটিতে কাশ্মীরকে ভালো লড়াইয়ের পথে টেনে নিয়ে যান দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার অধিনায়ক পরশ দোগরা ও আব্দুল সামাদ। তাঁদের দারুণ একটা পার্টনারশিপে ভর করে খেলায় প্রত্যাবর্তন করে জম্মু-কাশ্মীর। দুইজনেই দলকে হাফসেঞ্চুরি উপহার দেন। তবে এরপর ৮২ রানে আব্দুল সামাদকে ফিরিয়ে দেন মহম্মদ শামি। সামাদের ইনিংসে ছিল ১২ টা চার। এরপরই পরশ দোগরাকে ৫৮ রানে ফিরিয়ে দেন মুকেশ কুমার। ফলে আবারও ম্যাচে ফিরে আসে বাংলা। দিনের শেষে কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন আবিদ মুস্তাক। দিনের শেষে জম্মু-কাশ্মীরের স্কোর ৫ উইকেটে ১৯৮ রান। ২৬ রানে অপরাজিত আকিব মুস্তাক। বাংলার হয়ে ৩ উইকেট নেন মহম্মদ শামি এবং ২ উইকেট নেন মুকেশ কুমার। তবে এখনও বাংলার থেকে ১৩০ রানে পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীর।

রঞ্জির অপর সেমিফাইনালে দুইদিন ধরে ব্যাটিং অব্যাহত কর্ণাটকের। উত্তরাখন্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের শেষে কর্ণাটকের স্কোর ৬ উইকেটে ৬৮৯ রান। কর্ণাটকের ইনিংসে অনবদ্য ব্যাটিং দেবদূত পাড্ডিকালের। ৩৩০ বলে ২৩২ রান করেন আরসিবির অধিনায়ক দেবদূত। পাশাপাশি ২১১ বলে ১৪১ রান করেন কেএল রাহুল। ৬০ রান করেন করুণ নায়ার।

১২১ রানে অপরাজিত রবিচন্দ্রন সামারন। ৬০ রান করেন কুর্তিক কৃষ্ণা। ফলে রঞ্জির প্রথম ইনিংসে অবিশ্বাস্য ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে লিড রেখে রঞ্জির ফাইনালে ওঠার রাস্তা অনেকটাই মসৃন করে ফেলেছে দেবদূত পাড্ডিকালের দল।
