ময়দান আপডেট: ১১ বছর পর আবারও একবার রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি কর্ণাটকের সামনে। তারা শেষবার রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০১৪-১৫ সালে। সেই সময় পর-পর দুটি মরসুমে রঞ্জি জিতেছিল কর্ণাটক। ২০১৩-১৪ এবং ২০১৪-১৫ পর-পর দুই বছর ট্রফি নিজেদের দখলে রেখেছিল দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যটি। তবে এরপর আর কোনও দিন রঞ্জি ট্রফির ফাইনালেও পৌঁছাতে পারেনি তারা। তবে দেশের সমস্ত রাজ্যের পরিসংখ্যানগত বিচারে রঞ্জি ট্রফি জয়ের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কর্ণাটক। ৪২ বার রঞ্জি ট্রফি জিতেছে মুম্বই, যার আগে নাম ছিল বোম্বে। আর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কর্ণাটক। তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ৮ বার। আর কর্ণাটক ফাইনালে উঠে রার্নাস হয়েছে ৬ বার। তৃতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি, তারা ৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফলে এইবার নবমবারের জন্য রঞ্জি ট্রফি জয়ের সূবর্ণ সুযোগ কেএল রাহুল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, দেবদূত পাড্ডিকাল, করুণ নায়ার, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণাদের মতো তারকা ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত কর্ণাটকের সামনে।
সেমিফাইনালে উত্তরাখন্ডের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ রানের লিড তৈরি করেছে কর্ণাটক। ফলে বৃহস্পতিবার ফাইনালে ওঠা কার্যত সময়ের অপেক্ষা কর্ণাটকের সামনে। তারা প্রথম ইনিংসে উত্তরাখন্ডের থেকে বিরাট রানের লিডে এগিয়ে থাকায় ম্যাচ ড্র করার লক্ষ্য নিয়েই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে তা স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে কর্ণাটক তোলে ৭৩৬ রান। ৩৩০ বলে ২৩২ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক দেবদূত পাড্ডিকাল। ১৪১ রান করেন কেএল রাহুল। ১৩৫ রান করেন রবিচন্দ্রন সামারণ। এছাড়াও করুণ নায়ার ৬০, কুর্তিক কৃষ্ণা ৬০, বিদ্যাধর পাতিল করেন ৫৪ রান। আর জবাবে ব্যাট করতে নেমে উত্তরাখন্ড অলআউট হয়ে যায় ২৩৩ রানে।

দ্বিতীয় ইনিংসে ফের ব্যাট করতে নামে কর্ণাটক। চতুর্থ দিনের শেষে তাদের স্কোর ২৯৯ রানে ৬ উইকেট। ১২৭ রান করেন রবিচন্দ্রন সামারন। ফলে উত্তরাখন্ডের থেকে ৮০২ রানে এগিয়ে কর্ণাটক। বৃহস্পতিবার শেষ দিকে কর্ণাটকের লক্ষ্য থাকবে উত্তরাখন্ডকে অলআউট করে ম্যাচ জিতে নেওয়া। আর সেটা না হলেও, কোনও সমস্যা নেই। কারণ লিডের বিচারে ফাইনালে জম্মু-কাশ্মীরের মুখোমুখি হতে চলেছে কর্ণাটক।
সৌরভের বাংলাকে কল্যাণীতে ঘরের মাঠে হারিয়ে, প্রথমবার রঞ্জির ফাইনালে মিঠুন মনহাসের জম্মু-কাশ্মীর
