ময়দান আপডেট: রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে প্রথমবার সম্মুখসমরে জম্মু-কাশ্মীর ও কর্ণাটক। একদিকে প্রথমবার ফাইনালে খেলতে নেমেছে জম্মু-কাশ্মীর, অন্যদিকে নবমবার রঞ্জি ট্রফি জয়ের লড়াই কর্ণাটকের। অথচ রঞ্জি ফাইনালের প্রথম দিনে অভিজ্ঞ দেবদূত পাড্ডিকালের দলের সামনে বেশ চমকপ্রদ লড়াই জম্মু-কাশ্মীরের ব্যাটারদের। এদিন টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক পরশ ডোগরা। আর ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ৬ রানে ওমরান ইকবালকে ফিরিয়ে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। তবে এরপর ওপেনার ইয়াওয়ার হাসানকে সঙ্গে নিয়ে একটা দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন শুভম পুন্ডির। তাদের দুইজনের যুগলবন্দিতে কার্যত চাপে ফেলে দেয় কর্ণাটকের বোলারদের।

যদিও দলের ১৫৭ রানে গিয়ে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। ইয়াওয়ার হাসান ফিরে যান ১৫০ বলে ৮৮ রানে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার বলে। অন্যদিকে বেশ ভালো লড়াই চালিয়ে যান শুভম পুন্ডির।

তবে জম্মু-কাশ্মীরকে এরপর কিছুটা চিন্তায় ফেলে দেয় অধিনায়ক পরশ ডোগরার ইনজুরি। দলের স্কোর যখন ১৭৯ তখন ৪৮ বলে ৯ রানে ব্যাট করার সময় চোট পান দলের অধিনায়ক। ফলে মাঠ ছাড়তে হয় পরশ ডোগরাকে। তবে তার জায়গায় মাঠে নেমে শুভম পুন্ডিরকে সঙ্গে নিয়ে আবারও একটা ভালো পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন আব্দুল সামাদ। শুভম পুন্ডির নিজের সেঞ্চুরি অতিক্রম করে দিনের শেষে অপরাজিত ২২১ বলে ১১৭ রানে। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১২ টা চার ২ টি ছয়। অন্যদিকে ৬৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত আব্দুল সামাদ। তাঁর ইনিংসে ৫ টা চার ও একটি ছয়। প্রথম দিনের শেষে জম্মু-কাশ্মীরের স্কোর ২ উইকেটে ২৮৪ রান। ফলে বলা যেতেই পারে চালকের আসনে রঞ্জি ফাইনালে নবাগত দল জম্মু-কাশ্মীর।
১০৭ রানের বিরাট ব্যবধানে জিম্বাবোয়েকে হারিয়ে ভারতের চাপ আরও বাড়াল ক্যারিবিয়ানরা
