প্রিয়াংশু মন্ডল, প্রতিনিধি
ময়দান আপডেট, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতামূলক এবং আকর্ষণীয় করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)। ২০২৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে আর ১০টি নয়, অংশ নেবে ১৪টি দেশ। পাশাপাশি বদলে যাচ্ছে পুরো টুর্নামেন্টের কাঠামো। এবার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে তিনটি পর্বে, যেখানে ম্যাচের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে, ১৪ দলের বিশ্বকাপ এবং তিন ধাপের নতুন ফরম্যাট বিশ্ব ক্রিকেটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে। আগের তুলনায় বেশি ম্যাচ, দীর্ঘ প্রতিযোগিতা এবং প্রতিটি পর্যায়ে কঠিন লড়াই বিশ্বকাপকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলবে। ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে হতে চলেছে এক স্মরণীয় বিশ্বকাপ।

প্রথম পর্ব : সুপার সিরিজ
বিশ্বকাপের সূচনা হবে র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে নিচে থাকা ৩টি যোগ্যতা অর্জনকারী দেশের মধ্যে ‘সুপার সিরিজ’ দিয়ে। তিনটি দল রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা একটি দল দ্বিতীয় পর্বে উন্নীত হবে। বাকি দুটি দলের বিশ্বকাপ অভিযান সেখানেই শেষ হবে।
দ্বিতীয় পর্ব : গ্রুপ স্টেজ
এই পর্বে মোট ১২টি দল অংশ নেবে। এর মধ্যে থাকবে সুপার সিরিজ থেকে উঠে আসা একটি দল এবং সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করা ১১টি দল। দলগুলিকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে।প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ৬টি করে দল। প্রতিটি দল নিজেদের গ্রুপের বাকি পাঁচটি দলের বিরুদ্ধে একটি করে ম্যাচ খেলবে।এই পর্বে মোট ৩০টি ম্যাচঅনুষ্ঠিত হবে। দুই গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিনটি করে মোট ছয়টি দল এবং দুই গ্রুপ মিলিয়ে সেরা চতুর্থ স্থানাধিকারী একটি দল উঠবে পরবর্তী পর্বে।

তৃতীয় পর্ব : সুপার ৭
বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ‘সুপার ৭’-এ মোট ৭টি দল খেলবে। প্রতিটি দল বাকি ছয়টি দলের বিরুদ্ধে একটি করে ম্যাচ খেলবে। মোট ২১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চারটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে।
সেমিফাইনাল ও ফাইনাল
সুপার ৭ শেষে, প্রথম স্থানে থাকা দল খেলবে চতুর্থ স্থানে থাকা দলের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দল মুখোমুখি হবে তৃতীয় স্থানে থাকা দলের। দুই সেমিফাইনালের বিজয়ীরা খেলবে মহারণের ফাইনালে।

এবার প্রশ্ন, প্রথম সারির দলগুলি বা ভারত কতগুলি ম্যাচ খেলতে পারে?
র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকায় ভারতকে প্রথম পর্বে খেলতে হবে না। শুভমন গিলদের দল সরাসরি দ্বিতীয় পর্ব থেকে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। তারপর দ্বিতীয় পর্বে ৫টি ম্যাচ ও সুপার ৭ রাউন্ডে সুযোগ পাবে ৬টি ম্যাচ খেলার, এরপর সেমিফাইনালে উঠলে আরও ১টি ম্যাচ পাবে এবং ফাইনাল খেললে আরও ১টি ম্যাচ। অর্থাৎ, ভারত যদি ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছায়, তাহলে মোট ১৩টি ম্যাচ খেলতে হবে।
