Tuesday, September 1, 2026
Homeফুটবলকলকাতার ফুটবলকাস্টমসের পর আবারও ভবানীপুরের কাছে হার, ছন্দহীন ফুটবলে হতাশ সবুজ মেরুন সমর্থকেরা

কাস্টমসের পর আবারও ভবানীপুরের কাছে হার, ছন্দহীন ফুটবলে হতাশ সবুজ মেরুন সমর্থকেরা

কলকাতা লিগে হারের খড়া কাটছে না মোহনবাগানের

                         প্রিয়াংশু মন্ডল, প্রতিনিধি 

ময়দান আপডেট : কাস্টমসের কাছে হারের পর এই ম্যাচটি ছিল মোহনবাগানের কাছে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। তবে মোহনবাগানের ফুটবলাররা জেতার মতো ভালো ফুটবল খেলতে পারেননি। পুরো ম্যাচ জুড়েই ভবানীপুরের ফুটবল ছিল চোখে পড়ার মতো। তাদের আক্রমণভাগের দুই তারকা সাহিল হরিজন ও জিতেন মুর্মু দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। এই ম্যাচেও তারা নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেন। ম্যাচের মাত্র ৮ মিনিটেই বাম প্রান্ত থেকে আক্রমণে উঠে গোল করতে পারত ভবানীপুর। সে যাত্রা মোহনবাগান বেঁচে যায়। এরপর ১২ মিনিটে জিতেনের দূরপাল্লার শট দারুণভাবে বাঁচান মোহনবাগান গোলকিপার দীপ্রভাত ঘোষ। মোহনবাগান সেভাবে আক্রমণে উঠতে পারছিল না। তবুও ১৯ মিনিটে তারা একটি গোল করে। কিন্তু সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। এর পরপরই ভবানীপুরের একটি নিশ্চিত গোলমুখী শট আটকে দেন দীপ্রভাত। ৩৪ মিনিটে কিয়ান নাসিরির শট পোস্টে লাগে। সংযুক্তি সময়ে কিয়ানের নেওয়া ফ্রিকিক কোনোমতে বিপন্মুক্ত করেন ভবানীপুর গোলকিপার আদিত্য পাত্র।

বিরতির পরেও ভবানীপুরের দাপট বজায় ছিল। মোহনবাগানের দিশাহীন ফুটবল দেখে বিরক্ত হয়ে যাচ্ছিলেন সমর্থকরা। ৭০ মিনিটে ভবানীপুরের ফ্রিকিক বাঁচায় মোহনবাগান। দীপ্রভাতের ভুলে অল্পের জন্য গোল হজম থেকে বাঁচে মোহনবাগান। অবশেষে ৮০ মিনিটে বিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে দারুণ গোল করেন সাহিল। গ্যালারিতে তাঁর বাবাও আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন। কিন্তু সেই আনন্দ বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মনঃসংযোগের অভাবে ৮৬ মিনিটে গোল হজম করে ভবানীপুর। মোহনবাগানের বিভানজ্যোতি লস্কর গোল করে সমতা ফেরান। তবে শেষ ১০ মিনিটে দুই গোল করে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভবানীপুর।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular