প্রিয়াংশু মন্ডল, প্রতিনিধি
ময়দান আপডেট : সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) এবং অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলির যৌথ উদ্যোগে বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে আগামী ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) ২০২৬-২৭ মরসুমকে কেন্দ্র করে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের শীর্ষমানের এই ফুটবল লিগের আসন্ন মরসুমে সর্বমোট ১৩টি ক্লাব একে অপরের মুখোমুখি হবে। টুর্নামেন্টের সম্পূর্ণ লিগ পর্যায়টি ডাবল রাউন্ড-রবিন ফরম্যাটে পরিচালিত হবে, যেখানে প্রতিটি দলই নিজস্ব হোম এবং অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।
জামশেদপুর এফসির স্পোর্টিং লাইসেন্স ও যাবতীয় বাণিজ্যিক চুক্তি অধিগ্রহণ করে তাদের জায়গায় এবার মাঠে নামতে চলেছে চার্চিল ব্রাদার্স। আসন্ন ২০২৬-২৭ মরসুমে অংশগ্রহণকারী ১৩টি ক্লাব হলো। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট, ইস্টবেঙ্গল এফসি, নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি, মুম্বাই সিটি এফসি, ওড়িশা এফসি, বেঙ্গালুরু এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি, চেন্নাইন এফসি, এফসি গোয়া, স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লী, পাঞ্জাব এফসি, ইন্টার কাশী ও চার্চিল ব্রাদার্স (জামশেদপুর এফসির পরিবর্তে)।
যদিও টুর্নামেন্টের কিক অফের চূড়ান্ত তারিখ এখনও নির্দিষ্ট করা হয়নি, তবে এআইএফএফ কর্তারা জানিয়েছেন যে খুব শীঘ্রই আলাদা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমস্ত ম্যাচের সূচি এবং দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। একজন অভিজ্ঞ ক্লাব প্রতিনিধি নিশ্চিত করেছেন যে, দলের সংখ্যা চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায় এখন লিগের বাণিজ্যিক আলোচনা, সম্প্রচার চুক্তি এবং যাতায়াতের পরিকল্পনা অনেক বেশি গতি পাবে। এআইএফএফ সরাসরি বা স্পষ্ট কোনো মন্তব্য না করলেও, দলসংখ্যা ১৩টিতে নির্ধারিত হওয়ার অর্থ হলো গতবারের ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগ (আইএফএল) চ্যাম্পিয়ন ডায়মন্ড হারবার এফসি এই মরসুমের আইএসএল থেকে চূড়ান্তভাবে বাদ পড়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দ্বিতীয় দফার ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। ডায়মন্ড হারবার ছাড়াও গত মরশুমে অবনমন হয়ে যাওয়া মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের আর্জিও সোনা হয়নি। তাদের অবনমনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে। 
শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সূত্র মারফত এও জানা গিয়েছে যে, ইস্টবেঙ্গল এফসি সহ আরও কয়েকটি দল এখনও তাদের দ্বিতীয় দফার কিস্তির টাকা সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করতে পারেনি। তবে ইস্টবেঙ্গল খেলায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত রাখলেও তাদের এই আর্থিক বকেয়ার বিষয়টি নিয়ে ভেতরে ভেতরে জোর চর্চা চলছে। অন্যদিকে, লিগের সার্বিক পরিকাঠামোয় বড়োসড়ো পরিবর্তন এসেছে।
