ময়দান আপডেট: সময় যত যাচ্ছে ক্রমশই সিএবি নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। তার জেরে বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থার ভূমিকা নিয়ে সরগরম বাংলার ক্রিকেট মহল। আগামী ২৪ তারিখ সিএবির তিনটি পদে নির্বাচন রয়েছে। সচিব, সহ-সচিব এবং অ্যাপেক্স কাউন্সিল মেম্বার নির্বাচন। ১৬ তারিখ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তাই একদিকে সিএবির শাসক গোষ্ঠী অর্থাৎ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের শিবির তারা যেমন নিজেদের পায়ের তলার মাটি ধরে রাখতে মরিয়া, তেমনি অন্যদিকে বিরোধী পক্ষ থেকে কাকে প্রার্থী করা হয় সেই নিয়েও চলছে জোর জল্পনা। তারই মধ্যে প্লেয়ারদের বয়স ভাঁড়ানো থেকে শুরু করে ম্যাচের টিকিট দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ সামনে এনে সরব বিরোধী পক্ষ থেকে বাংলার ক্রীড়া প্রেমীরা। সিএবির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা আম্পায়রের পুরস্কার দেওয়ার ঘটাতেও চরম বিতর্ক সামনে এসেছে। আর সেই ঘটনায় সংবাদ মাধ্যমে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সিএবির অভিজ্ঞ অম্পায়র সুবীর ব্যানার্জী।

বিভিন্ন ক্লাবকে সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভার নথি পাঠানো নিয়ে ময়দান থানায় অভিযোগ জমা পড়ল। সিএবির কয়েক জন কর্তা এবং একটি ক্যুরিয়র সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটের সদস্য গৌতম দে। সিএবির আসন্ন নির্বাচনে এই সংস্থার ভোট আছে। সূত্রের খবর, পুলিশ প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে দিয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযোগে বলা হয়েছে, সিএবির পাঁচটি অনুমোদিত ক্লাবকে নাকি তাদের নির্বাচনের কাগজপত্র নথিভুক্ত ঠিকানায় না পাঠিয়ে সিএবি পরিচালন সমিতির সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
আজ মেয়েদের এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারত-শ্রীলঙ্কা মহারণ, বদলার লড়াই হরমনপ্রীতদের
এর পাশাপাশি কয়েক দিন আগেই সিএবির বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করে সোচ্চার হয়েছিলেন কাশীপুর-বেলগাছিয়ার বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি। তিনি বলেন, বঙ্গ ক্রিকেট প্রশাসনে অনেক দুর্নীতি হচ্ছে। বয়স ভাঁড়িয়ে নির্বাসিত ক্রিকেটারদের সিএবির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। রীতেশ এদিন বিধানসভার প্রেস কর্নারে অভিযোগ করেছেন, সুয়ো মোটো মামলা করে তদন্ত করা উচিত। সিএবি প্রেসিডেন্ট হিসাবে সৌরভও দায়িত্ব এড়াতে পারেন না বলে জানান রীতেশ। সন্ধ্যায় সিএবিতে সাংবাদিক বৈঠক করে একাধিক বিতর্ক নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন সৌরভ। তিনি বলেন, আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করা এত সহজ নয়। তবে গত কয়েক মাসে যে ভাবে বাংলার ক্রিকেট নিয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে, তাতে সেই মহারাজকীয় ভাবমূর্তি বাংলার জনগনের কাছে কতটা অক্ষত আছে সেটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন।
