ময়দান আপডেট: ১৭ বছর পর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্বপ্নপূরণ হয়েছে কিং কোহলির। প্রথমবার ২০২৫ সালে পঞ্জাব কিংসকে ফাইনালে হারিয়ে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিরাটের রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। ট্রফি হাতে নিয়ে আবেগে-উচ্ছ্বাসে ভেসে যান কোহলি সহ গোটা আরসিবি দল। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হয়েও তাল কাটে ব্যাঙ্গালুরুর। আরসিবি সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস ও আনন্দ বিপদ ডেকে আনে চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। ট্রফি নিয়ে বিরাটরা ব্যাঙ্গালুরুতে ফেরার পর চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে কোহলিদের জন্য রাজকীয় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। অথচ সেই সময় স্টেডিয়ামের বাইরে লক্ষ-লক্ষ সমর্থকদের ভিড়ের জেরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে কর্ণাটক সরকারের। আরসিবি সমর্থকদের ভিড় সামলাতে ব্যর্থ হয় প্রশাসন। চরম বিশৃঙ্খলার ছবি ধরা পড়ে। তার জেরে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ১১ জন সমর্থকের। আহত হন আরও বহু মানুষ। তারপরে যদিও এই ঘটনার জন্য কর্ণাটক সরকার সহ কর্ণাটক ক্রিকেট বোর্ড, আরসিবি এবং স্বয়ং বিরাট কোহলি নিজেও এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

কিন্তু আইপিএলের ইতিহাসে এই ঘটনা কলঙ্কিত অধ্যায় হিসাবে স্বরণীয় হয়ে থাকে। সেই সময় থেকেই অনুমান করা গিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ভবিষ্যতে চেন্নাস্বামীকে আর হয়তো আরসিবির হোম গ্রাউন্ড রাখবে না। আর সেই আশঙ্কাই এবার সত্যি হল।

২০২৬ সালের আইপিএলে বদলে গেল আরসিবির হোম ভেন্যু। এই বছরের আইপিএলে আরসিবি তাদের হোম ম্যাচগুলি ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়াম এবং শহিদ বীর নারায়ণ সিং স্টেডিয়ামে ভাগ করে খেলবে। নবী মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে ৫টি ম্যাচ হবে। রায়পুরের শহিদ বীর নারায়ণ সিং স্টেডিয়ামে হবে ২টি ম্যাচ।
বিজয়হাজারের সেমিতে কর্ণাটক বনাম বিদর্ভ, সৌরাষ্ট্র বনাম পঞ্জাব
