ময়দান আপডেট: রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে কেএল রাহুল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, দেবদূত পাড্ডিকালদের কর্ণাটকের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের শেষেও বিশাল রানের টার্গেট তৈরি করে চালকের আসনেই জম্মু-কাশ্মীর। কর্ণাটকের হয়ে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা কিছুটা ভালো বল উপহার দিলেও, তাদের বোলারদের সামনে দুইদিন ধরে ব্যাট করে গেল প্রথমবার রঞ্জির ফাইনালে উঠে আসা জম্মু-কাশ্মীর। আর কর্ণাটকের বোলাররা দুইদিনে মাত্র ৬ টা উইকেট ফেলতে সক্ষম হয়েছেন। আর দ্বিতীয় দিনের শেষে জম্মু-কাশ্মীরের রান ৬ উইকেটে ৫২৭। ফলে এখনও তাদের ৪ উইকেট হাতে রয়েছে। সুতরাং একটা বিষয় পরিস্কার রঞ্জির ফাইনালের ফলাফল আসার সম্ভবনা কম। প্রথম ইনিংসের লিডের ভিত্তিতেই চ্যাম্পিয়ন দল নির্ণয় করতে হবে বিসিসিআই-কে। ফলে সেই দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে পরশ ডোগরার দল। তাদের লক্ষ্য এখন একটাই কম করে ৬০০ রানের উপর লিড রেখে কর্ণাটককে ব্যাটে নামানো। সেক্ষেত্রে নিজেদের বোলাররা অনেকটাই নিশ্চিন্ত মনে বল করতে পারবেন।

প্রথমবার ট্রফি জয়ের হারছানি জম্মু-কাশ্মীরের সামনে। কর্ণাটক যদি প্রথম ইনিংসে লিড রাখতে না পারে তাহলে লাল বলের ক্রিকেটে নতুন চ্যাম্পিয়নকে খুঁজে পাবে ভারতীয় ক্রিকেট। উল্লেখ্য জম্মু-কাশ্মীরের হয়ে ২৪৭ বলে ১২১ রানের একটা দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন শুভম পুন্ডির। পাশাপাশি ইয়াওয়ার হাসান করেন ৮৮ রান। এছাড়াও ৭০ রান করেন অধিনায়ক পরশ ডোগরা এবং ৭০ রান করেন কানাইয়া ওয়াধামান। ৬১ রান করেন আব্দুল সামাদ। দিনের শেষে ৫৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন শাহিল লোটরা। সবমিলিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের কম-বেশি অধিকাংশ ব্যাটসম্যানরাই ভালো ছন্দে রয়েছে তা বলা যেতেই পারে। অন্যদিকে কর্ণাটকের হয়ে ৩ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা।

তবে এদিনের ম্যাচে একটি বিতর্কিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোর্ডের জরিমানার মুখে পড়লেন জম্মু-কাশ্মীরের অধিনায়ক পরশ ডোগরা। তাঁর ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ জরিমানা দিতে হবে। উল্লেখ্য ঘটনার সূত্রপাত জম্মু-কাশ্মীরের ইনিংসের ১০১তম ওভারে। সতীর্থ কানহাইয়ার সঙ্গে ব্যাট করছিলেন পরশ। বল করছিলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তাঁর একটি বল খেলার পরেই দেখা যায় ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে ফিল্ডিং করা অনীশের দিকে তেড়ে যাচ্ছেন পরশ। তাঁদের মধ্যে কিছু কথা হয়। তার পরেই দেখা যায়, অনীশকে ঢুঁসো মারেন পরশ। তবে দুই ক্রিকেটারই হেলমেট পরে থাকায় মাথায় চোট লাগেনি। পরে বোঝা যায়, পরশকে স্লেজ করায় মেজাজ হারান জম্মু-কাশ্মীরের অধিনায়ক।

ম্যাচের পর পরশ বলেছেন, “খুব বড় ব্যাপার নয়। উত্তেজনার মুহূর্তে ওই ঘটনা ঘটে গিয়েছে। এ রকম দু’-এক বার হতেই পারে, বিশেষ করে ফাইনালের মতো ম্যাচে। সমস্যা সেখানেই শেষ হয়ে গিয়েছে।”
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের কঠিন সমীকরণ টিম ইন্ডিয়ার ! কোন পথে সেমিতে? দেখুন
