Monday, March 23, 2026
Homeময়দানে প্রতিভার সন্ধানেঝাড়খন্ডের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ব্যাগে স্বপ্ন ভরে কলকাতায় পাড়ি দুই মেয়ের

ঝাড়খন্ডের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ব্যাগে স্বপ্ন ভরে কলকাতায় পাড়ি দুই মেয়ের

ক্লান্তি এই মেয়েকে রুখতে পারে না। ঝাড়খন্ড থেকে উঠে আসা আরেক ফুটবলার, জ্যোৎস্না এই মরশুমের কন্যাশ্রী কাপে রয়েছেন সুরুচি সংঘে। গত বৃহস্পতিবার পুলিশ এসির বিরুদ্ধে বেশ নজর কেড়েছিলেন জ্যোস্না। প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের একাধিক আক্রমণ রুখে দিয়েছিলেন তিনি।

                       সোনালী চ্যাটার্জী, প্রতিনিধি

ময়দান আপডেট: ঝাড়খন্ডের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়ে রোশনি টিগ্গা ফুটবল খেলার স্বপ্ন নিয়ে এসেছেন কলকাতায়। সুরুচি সংঘের হয়ে প্রথম বছর খেলছেন কন্যাশ্রী কাপ। গত বৃহস্পতিবার পুলিশ এসির বিরুদ্ধে গোল করে দলকে পয়েন্ট হারানোর হাত থেকে বাঁচান। এদিন সুরুচি সংঘের জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচ ছিল রোশনির,ম্যাচের দুদিন আগেই দলের সাথে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।প্রথম ম্যাচে নেমেই কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে হেড করে বল জালে জড়িয়ে দিয়ে বিশ্বাস অর্জন করে নিয়েছেন তিনি। ঝাড়খন্ড সরকারের অনুপ্রেরণায় সে রাজ্যে চলে একটি আবাসিক শিবির,সেখানেই সারাবছর অনুশীলনের মধ্যে থাকেন রোশনি। বাড়িতে মা,বাবা সহ সকলেই আছেন। পরিবার থেকে উৎসাহ পেয়েছেন ফুটবল খেলার কখনো বাধার সন্মুখীন হতে হয়নি। কলকাতার মতো ঝাড়খন্ডের মাটিতে ঘাস নেই, অনুশীলনে পরিশ্রম অনেকটা বেশিই লাগে ঝাড়খন্ডের মাটিতে,চোট হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।তবে রোশনি জানান,চোট ভাবলেই চোট হয়,তিনি ইনজুরি নিয়ে ভাবেন না,কোনো ভয় তার নেই। ফুটবলটা ভালো করে খেলে যাওয়াই তাঁর লক্ষ্য।

জ্যোৎস্না! নামের মধ্যে যেমন আলোর আভা রয়েছে তেমনই মেয়েটির প্রানবন্ত কথাগুলো কানে লেগে থাকার মতো।তে কাঠির নীচে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দিতে যেমন পারেন তেমনি হাসি মুখে নিজের গ্রাম,নিজের জীবন এবং স্বপ্নের কথাও বলে যেতে পারেন অনর্গল। ক্লান্তি এই মেয়েকে রুখতে পারে না। ঝাড়খন্ড থেকে উঠে আসা আরেক ফুটবলার, জ্যোৎস্না এই মরশুমের কন্যাশ্রী কাপে রয়েছেন সুরুচি সংঘে। গত বৃহস্পতিবার পুলিশ এসির বিরুদ্ধে বেশ নজর কেড়েছিলেন জ্যোস্না। প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের একাধিক আক্রমণ রুখে দিয়েছিলেন তিনি। সুরুচি সংঘে জ্যোৎস্নার এটি দ্বিতীয় বছর।মাঝের একটি মরশুমে ছিলেন শ্রীভূমিতে কিন্তু খুব বেশি ম্যাচ টাইম পাননি।এই মরশুমে আবারও ফিরে এসেছেন সুরুচি সংঘে, জায়গা করে নিয়েছেন প্রথম একাদশে। জ্যোৎস্না জানিয়েছেন তার ভালো খেলার জন্য অবদান রয়েছে সুরুচি সংঘের গোলরক্ষক কোচ সুশান্ত ভট্টাচার্যের।

মাঠের বাইরেও অনুশীলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে নির্দ্বিধায় কোচের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি যা জ্যোস্নাকে ভালো পারফরম্যান্সে সাহায্য করে। ঝাড়খন্ড সরকারের অনুপ্রেরণায় চলা আবাসিক শিবিরে সারাবছর তিনিও অনুশীলনে থাকেন,তবে পরিবারে সকলে থাকলেও সকলের মাঝেই কেউ না থাকার সুর স্পষ্ট হলো এদিন জ্যোৎস্নার গলায়, পরিবারের লোকেরা তাদের নিজের মতো আছেন, এবং জ্যোস্নাও নিজের মতো করেই জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চান। ঝাড়খন্ডে হকি খেলতেন একসময় কিন্তু তা ছেড়ে এসেছেন ফুটবলে, ফুটবল আঁকড়েই বাঁচতে চান, ফুটবলের দ্বারাই প্রতিষ্ঠা পেতে চান ঝাড়খন্ডের মেয়ে জ্যোৎস্না।

কান্তিরাভার মন জয় করতে পারল না দিমি-ম্যাকারা! প্রচুর গোলের সুযোগ নষ্ট, ফলে খুশি থাকতে হল ১ পয়েন্টে

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular