সৌরভ রায় ও অঙ্কিত ঘোষ, প্রতিনিধি
ময়দান আপডেট: ফুটবলে আইএসএলের ডার্বি পিছিয়ে গেলেও, হকির ডার্বি ঘিরেও মেরিনার্সদের উন্মাদনা তুঙ্গে। যুবভারতীর নবনির্মিতি হকি স্টেডিয়ামে শনিবার বিকেলে সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হল হকি প্রিয়িয়াম লিগের ফাইনাল ম্যাচ। আর যেখানে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ফলে শনিবাসরীয় বিকেলে যুবভারতীর ফুটবল স্টেডিয়াম না হলেও, হকির ডার্বি ম্যাচ ঘিরে চেনা ছন্দে কলকাতার ফুটবলের মক্কা। তবে এদিন মোহনবাগান সমর্থকদের ভিড় যথেষ্ট পরিমান থাকলেও, সেভাবে দেখা যায়নি ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের। আর ম্যাচের ফলাফলেও ডার্বির রঙ সবুজ-মেরুন। হকি প্রিমিয়ার লিগে এই বছর দুইবারই ডার্বি জয়ী মোহনবাগান। এদিন ইস্টবেঙ্গলকে ৩-১ গোলে পরাজিত করল তারা।

সৌম্য দাশ, চিত্র সাংবাদিক
গতবারও হকি লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মেরিনার্সরা। এদিন যুবভারতীর হকি স্টেডিয়ামে সেই ফলাফলেরি পুনরাবৃত্তি ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে নেমেছিল মোহনবাগান। শনিবার শুরু থেকেই একাধিপত্য বজায় রাখেন ববি সিং ধামি, মহম্মদ রাহিলরা। যার ফলও পায়। প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় সবুজ-মেরুন। গোল দু’টি করেন অভ্রান সুদেব এবং অর্জুন শর্মা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরে আসে লাল-হলুদ। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ব্যবধান কমান প্রতাপ লাকরা। তবে ছাড়ার পাত্র ছিল না মোহনবাগানও। মহম্মদ রাহিল ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মোহনবাগানকে। ফলে ৩-১ গোলে ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায় সবুজ-মেরুন বাহিনী।

আর এই জয়ের পর সমর্থকদের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন হকি খেলোয়াড়রা। উপস্থিত ছিলেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশীষ দত্ত থেকে শুরু করে মোহনবাগান ক্লাবের কর্মসমিতির সদস্যরা। হকি দলের সদস্যদের অভিনন্দন জানান হয় মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে।

শতবর্ষে ময়দানের ঐতিহ্যশালী জর্জ টেলিগ্রাফ ক্লাব, কৃতি খেলোয়াড়দের সাড়ম্বরে সংবর্ধনা
