ময়দান আপডেট: এইবারে ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ দেখল গোটা ফুটবল বিশ্ব। যে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চিল টানটান উত্তেজনাপূর্ণ এবং থ্রিলার। দুর্দান্ত লড়াই করল ইংল্যান্ড ও আয়োজক মেক্সিকো। তবে ৫৪ মিনিটের পর ১০ জনে খেলা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও জিততে পারল না মেক্সিকো। ৩-২ গোলে জিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে জোড়া গোল করলেন বেলিংহ্যাম। পেনাল্টিতে একটি গোল করেন হ্যারিকেন। অন্যদিকে পাল্টা দুটি গোল শোধ করে মেক্সিকো। তার মধ্যে একটি পেনাল্টিতে। এদিন ম্যাচ একবার ইংল্যান্ডের দিকে ঘুরছিল তো একবার মেক্সিকোর দিকে। খেলায় ১১ মিনিট সংযুক্ত সময় পেয়েছিল মেক্সিকো। তারা নিজেদের তৃতীয় গোলটি তোলার জন্য ঘন-ঘন আক্রমণে যাচ্ছিল। কিন্তু খেলার দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিক থেকে ও সংযুক্তি সময় পর্যন্ত লো-ব্লকে গোটা দল ডিফেন্স করতে ব্যস্ত ছিল ইংল্যান্ডের। ফলে প্রচেষ্টা করলেও তৃতীয় গোলটি তুলতে পারল না মেক্সিকো। তার ফলে এইবারের বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ কানাডার পর, বিদায় নিতে হল দ্বিতীয় আয়োজক মেক্সিকোকেও।

এদিন খেলার প্রথম ৩০ মিনিট মেক্সিকো দাপট দেখায়। ঘরের মাঠে সেটাই স্বাভাবিক। ইংল্যান্ডকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল, চাপ সামলে প্রতি আক্রমণে ওঠার পরিকল্পনা করেছেন। বেলিংহ্যামকে শুরু থেকেই ছটফটে লাগছিল। ৩৬ মিনিটের মাথায় খেলার গতির বিপরীতে গোল ইংল্যান্ডের। হেডে গোল করলেন বেলিংহ্যাম। সেই গোলের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই আবার গোল বেলিংহ্যামের ৯৮ সেকেন্ডের মধ্যে। মেক্সিকোর ফুটবলারের পা থেকে বল কেড়ে কেনকে পাস দেন গর্ডন। কেনের মাইনাস পায়ের টোকায় জালে জড়িয়ে দেন বেলিংহ্যাম।বিরতির আগে ফ্রি কিক থেকে ফিরতি বলে এক গোল শোধ করেন মেক্সিকোর জুলিয়ান কিনোনেস।

তবে খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ডের জ্যারেল কোয়ানসাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ফলে দশজনে হয়ে যায় ইংল্যান্ড দল। সেই সুযোগে অনেকটাই আক্রমণের গতি বাড়ায় মেক্সিকো। তবে এর কিছু সময়ের মধ্যেই বক্সের মধ্যে গর্ডনের গতি বুঝতে পারেননি মেক্সিকোর গোলরক্ষক। ফাউল করে বসেন। পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। গোল করতে ভুল করেননি কেন। আর এরপর পেনাল্টিতে আরো একটি গোল শোধ করে মেক্সিকো। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল ইংরেজরা। অন্যদিকে নিজেদের ঘরের মাঠে নিরাশ হয়েই সফর শেষ করতে হল মেক্সিকোকে।
