ময়দান আপডেট: T-20 World Cup নিয়ে সমস্যা যেন কোনও ভাবেই পিছু ছাড়তে চাইছে না। একটা সমস্যা কিছুটা লাঘব হতেই, আবার নতুন করে সমস্যার মুখে জয় শাহের আইসিসি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ভারতে খেলতে আসবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল। তার জেরে বাংলাদেশকে বাদ দিয়েই শেষ পর্যন্ত টি-বিশ্বকাপের নতুন ক্রীড়াসূচি ঘোষণা করে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। বাংলাদেশের বিকল্প হিসাবে বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়া হয়েছে স্কটল্যান্ডকে। গ্রুপ পর্বে যে যে ভেন্যুতে বাংলাদেশের খেলার কথা ছিল, সেই সব জায়গাতে খেলবে স্কটল্যান্ড। অর্থাৎ স্কটল্যান্ডের তিনটে ম্যাচ ইডেনে এবং একটা ম্যাচ ওয়াংখেড়েতে দেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্বকাপ শুরু ৭ তারিখ থেকে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর ১৪ দিন আগে স্কটল্যান্ডকে আইসিসি যোগদান করতে বলায় কার্যত বিপাকে পড়ে গেছে স্কটিশরা। যদিও অতীতে ছয়বার অংশ নিয়েছে। এই নিয়ে সাতবার বিশ্বকাপ খেলবে তারা। তবু অপ্রস্তুত স্কটিশেরা। ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের চিফ এগ্জ়িকিউটিভ ট্রুডি লিন্ডব্লেডের বক্তব্যে সেই অস্বস্তি ধরা পড়েছে। কারণ বিশ্বকাপ খেলার কথাই যে ছিল না। দলের স্পনসরের ব্যবস্থা করেননি কর্তারা। বিশ্বকাপের জন্য জার্সিও তৈরি করানো হয়নি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কতটা সম্ভব হবে, বুঝতে পারছেন না তাঁরা। চেষ্টা করছেন সব ব্যবস্থা করার।

অন্যদিকে নিজেদের পরম বন্ধু বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়তেই মন খারাপ পাকিস্তানের। আইসিসিকে চাপে ফেলতে পাক ক্রিকেট বোর্ডও বিশ্বকাপ বয়কটের পথে হাঁটতে পারে বার্তা দিয়েছিল। তারা বলেছিল এবার বিশ্বকাপের জন্য ২২ তম দল খুঁজতে হবে আইসিসিকে। কিন্তু আইসিসিও কড়া পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ বয়কট করে সেক্ষেত্রে, আইসিসির কোনও বড় প্রতিযোগিতার আগে বিশ্বক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয় পূর্ণ সদস্য দেশের। অর্থাৎ, টি-২০ বিশ্বকাপের আগে আইসিসির সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি হয়েছে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপ বয়কট করলে চুক্তিভঙ্গ করবে পাকিস্তান। পাকিস্তানের দাবি মেনেই ভারতের মাটিতে আয়োজিত টি-২০ বিশ্বকাপে হাইব্রিড মডেল এনেছে আইসিসি। অর্থাৎ, পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলছে। সেই মতো সূচি হয়েছে। কিন্তু যদি পাকিস্তান খেলতে না চায়, তা হলে সেই চুক্তি ভঙ্গ হবে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আর কোনও প্রতিযোগিতায় হাইব্রিড মডেলের দাবি করতে পারবে না পাকিস্তান।

অপরদিকে বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে সরানো হলেও, বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের বিষয়ে কিছুটা সুর নরম করল আইসিসি। কারণ বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার পর আইসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কভারেজের মিডিয়া কার্ডও বাতিল করা হবে। তবে কিছুটা মত বদল করে আইসিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বিশ্বকাপের খেলা কভার করার অনুমোদন দেওয়ার ব্যাপারটা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। শর্তসাপেক্ষে বেশ কিছু বাংলাদেশি সাংবাদিক ভারতে এসে বিশ্বকাপের খেলা দেখতে এবং কভারেজ করতে পারবে। যদিও উল্লেখ্য বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে টি-২০ বিশ্বকাপের খেলা সম্প্রচারের বিষয়ে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
জল্পনার অবসান ১৪ তারিখ কেরালার বিরুদ্ধে যুবভারতীতে নামছে মোহনবাগান,১৬ তারিখ ইস্টবেঙ্গল
