ময়দান আপডেট: ক্রিকেটের নন্দনকাননে নয়া ইতিহাস লিখলেন রাজস্থানের ছেলে মাত্র ২১ বছর বয়সি তরুন উইকেটকিপার ব্যাটার মুকুল চৌধুরী। লখনউ সুপার জায়েন্টসকে নাইটদের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিতিয়ে আইপিএলের নবাগত নায়ক হয়ে উঠলেন মুকুল। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে একা লড়াই করে একের পর এক ছয় হাঁকিয়ে, ২৭ বলে অপরাজিত থাকলেন ৫৪ রানে। আর ৩ উইকেটে কেকেআরকে হারিয়ে ম্যাচ জিতে নিল লখনউ। আর এদিন যখন সবাই ধরেই নিয়েছিল ঘরের মাঠে এবারের আইপিএলে বৃহস্পতিবার প্রথম জয়ের স্বাদ পেতে চলেছে কেকেআর। ঠিক তখনই ইডেনের গ্যালারি ভর্তি নাইট সমর্থকদের একাই স্তব্ধ করে দিলেন এই তরুন তুর্কি। মুকুল চৌধুরী নিজেরে ইনিংসটা সাজালেন ২ টি মাত্র চার ,আর ৭ টা ছয় দিয়ে। অবিশ্বাস্য ব্যাটিং উপহার দিয়ে চমকে দিলেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের। শেষ বল পর্যন্ত মরিয়া লড়াই চালিয়ে নাইটদের ঘরের মাঠে হারিয়ে দলকে জয় এনে দিলেন তিনি। তাঁর ইনিংসে মুগ্ধ দলের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। তবে এদিন গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে বল না করা, ক্যামেরন গ্রিনকে ১৯ তম গুরুত্বপূর্ণ ওভারে কেন বল দিলেন রাহানে? সেই প্রশ্ন নাইটদের হারের পর উঠবে তা নিশ্চিত।

এদিন আবারও নাইটদের ব্যাটিং ব্যর্থতাই দলের হারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াল। ঘরের মাঠে প্রথম ব্যাট করতে নেমে ২০০ রানও পার করতে পারল না কেকেআর। মাত্র ৪ উইকেটে ১৮১ রানে আটকে গেল নাইট বাহিনী। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ বলে ৪৫ রান করেন অংকৃশ রঘুবংশী। এছাড়া ৪১ রান করেন অজিঙ্কা রাহানে আর ২৪ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন রভম্যান পাওয়েল। একজন ব্যাটারও হাফসেঞ্চুরি করতে পারেননি। এদিনও ইডেনে ভালো বোলিং উপহার দিলেন মহম্মদ শামি। নিজের চেনা পিচে ৪ ওভারে উইকেট না পেলেও, দিলেন মাত্র ২৭ রান।

আর জবাবে ব্যাট করতে নেমে নাইটদের বোলিংয়ের সামনে শুরুতে বেশ কয়েকটা উইকেট হারিয়ে ফেলে লখনউ। বৈভব অরোরার বলের সামনে বেশি সময় দাঁড়াতে পারেননি মিচেল মার্শ ও আদিন মার্করাম। অধিনায়ক ঋষভ পন্থকেও ফিরে যেতে হয় ১০ রানে। তবে এরপর ভালো লড়াই চালিয়ে যান আয়ূশ বদোনি। ৩৪ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অনেকটা সময় দলকে টেনে নিয়ে যান। যদিও তিনি আউট হয়ে যাওয়ার পর ম্যাচের পাল্লা ভারি হয়ে যায় নাইটদের। নিকোলাস পুরান, আব্দুল সামাদরা এদিন সাফল্য দেখাতে পারেননি। তবে লখনউ নয়া ইয়ং মুকুল চৌধুরী একাই বড়-বড় ওভারবাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে শেষ বলে জয় এনে দিলেন। ম্যাচের সেরা হন মুকুল।

আর এই জয়ের ফলে লখনউ উঠে আসল ৫ নম্বরে। তারা ৩ ম্যাচে ২ টি জয় পেল। পয়েন্ট টেবিলে ৯ নম্বরে চলে গেল নাইট রাইডার্স। গত ম্যাচে বৃষ্টির কারণে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে ১ পয়েন্ট পেয়েছিল তারা। ৪ ম্যাচে ৩ টি ম্যাচ হেরে, চূড়ান্ত ব্যাকফুটে কেকেআর।
১ গোলে এগিয়ে থেকেও, জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করল মুম্বই
