প্রিয়াংশু মণ্ডল, প্রতিনিধি
ময়দান আপডেট: ইউরোপ সেরার লড়াই এখন তুঙ্গে। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচগুলোতে দেখা গেছে লাল কার্ডের নাটকীয়তা, নতুন তারকার উত্থান এবং অন্যতম সেরা দলগুলোর অপ্রত্যাশিত হার। একনজরে দেখে নিন কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচগুলির ফলাফল-
প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদকে স্তব্ধ করে দিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ ২-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। ম্যাচের ৪১ মিনিটে লুইজ দিয়াজের গোলে এগিয়ে যায় জার্মান জায়ান্টরা। বিরতির ঠিক পরেই (৪৬ মিনিটে) বায়ার্নের হ্যারি কেন ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ৭৪ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপের গোলটি কেবল ব্যবধানই কমাতে পেরেছে। ঘরের মাঠে হার রিয়ালের জন্য বড় ধাক্কা। তবে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় দ্বিতীয় লেগে ফিরতে হলে রিয়ালকে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে হবে। বায়ার্ন তাদের ডিফেন্সিভ সলিডারিটি বজায় রাখতে পারলে সেমিফাইনালের পথ সহজ হবে।

দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে, লিসবনের এস্তাদিও জোসে আলভালাদেতে স্বাগতিক স্পোর্টিং সিপি আর্সেনালকে প্রায় রুখেই দিয়েছিল। কিন্তু ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে, অর্থাৎ দ্বিতীয় হাফের অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে জার্মান ফরোয়ার্ড কাই হাভের্তেজ গোল করে গানারদের ১-০ ব্যবধানের মহামূল্যবান এক জয় এনে দেন। অ্যাওয়ে ম্যাচে ১-০ গোলের লিড আর্সেনালকে এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী রাখবে। স্পোর্টিং সিপিকে সেমিফাইনালে যেতে হলে লন্ডনে গিয়ে অন্তত দুই গোল করতে হবে, যা আর্সেনালের বর্তমান রক্ষণভাগের বিপক্ষে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ।
তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে, ক্যাম্প নৌ-তে বার্সেলোনার জন্য রাতটি ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথমার্ধের শেষে গিউলিয়ানোকে ফাউল করায় ভিএআর (VAR) চেক শেষে তরুণ ডিফেন্ডার কুর্বাসীকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। সেই ফ্রি-কিক থেকেই চমৎকার গোল করেন জুলিয়ান আলভারেজ। ১০ জনের বার্সার বিপক্ষে ৭০ মিনিটে আলেকজান্ডার সর্লথ গোল করে আতলেতিকোর ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন। ২ গোলে পিছিয়ে থাকা বার্সেলোনার জন্য কামব্যাক করা পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে পরের ম্যাচে তারা প্রধান ডিফেন্ডার কুর্বাসীকে পাবে না। আতলেতিকোর মতো রক্ষণাত্মক কৌশলী দলের বিপক্ষে এই লিড ভাঙা রাফিনহাদের জন্য অনেক কঠিন হবে।

চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালে, পার্ক দেস প্রিন্সেসে পিএসজি তাদের ঘরের মাঠের আধিপত্য বজায় রেখেছে। ম্যাচের ১১ মিনিটেই উদীয়মান তারকা ডেজায়ার ডৌ পিএসজিকে এগিয়ে দেন। লিভারপুল সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও ৬৫ মিনিটে উইঙ্গার ক্বরৎসখেলিয়া চমৎকার ফিনিশিংয়ে ব্যবধান ২-০ করেন। দুই গোলের লিড নিয়ে পিএসজি এখন সেমিফাইনালের দোরগোড়ায়। তবে পরবর্তী লেগ অ্যানফিল্ডে, যেখানে লিভারপুলের ঐতিহাসিক ‘ইউরোপিয়ান নাইটস’ কামব্যাকের রেকর্ড আছে। পিএসজিকে সেখানে লিভারপুলের শুরুর দিকের প্রচণ্ড চাপ সামলাতে হবে।
এএফসি অনুর্ধ্ব ২০ মহিলা এশিয়ান কাপে লড়াকু ফুটবল উপহার দিয়েও, ভাগ্যের ফেরে বিদায় ভারতের!
