ময়দান আপডেট: কলকাতা ফুটবল লিগ প্রতিবছর শুরু হয় ২৫ জুন। কিন্তু এই বছর বঙ্গ ফুটবল সংস্থার অভ্যন্তরীন কিছু সমস্যার কারণে লিগ পিছিয়ে গিয়েছে। ফলে এইবার কলকাতা লিগ জুনে নয়, শুরু হবে জুলাইয়ে। এখন পর্যন্ত যা খবর তাতে কলকাতা ফুটবলের প্রিমিয়ারের ঢাকে কাঠি পড়বে জুলাইয়ের ৮ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে। তবে বৃহস্পতিবার আইএফএ অফিসে লটারির মাধ্যমে ক্লাব কর্তাদের উপস্থিতিতে গ্রুপ বিন্যাস করা হয়ে গেল। গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইমামি ইস্টবেঙ্গল এফসি ও রানার্স আপ ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবকে যথাক্রমে গ্রুপ এ ও গ্রুপ বিতে রেখে বাকি দলগুলিকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ফলে লিগেই ডার্বি অনুষ্ঠিত হবে। এখনও পর্যন্ত লিগের দিনক্ষণ ও স্টেডিয়ামের নাম ঘোষণা না করা হলেও, লিগের ম্যাচের তালিকা দেওয়া হয়েছে।

সেখানে দেখা যাচ্ছে ষষ্ঠ রাউন্ডে ডার্বি অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি উল্লেখ্য এবার কলকাতা লিগে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল দুই প্রধানই নিজেদের ঘরের মাঠে কলকাতা লিগের ম্যাচ খেলবে। মহামেডান স্পোর্টিং নিজেদের মাঠে খেলবে কিনা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে দেখা যাচ্ছে গ্রুপ বি -তে যে ১৩ টি দলকে দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে তিনটি দল রয়েছে ( ডায়মন্ড হারবার, শ্রীভূমি ও সুরুচি সংঘ) যারা ইতিমধ্যেই জানিয়েছে কলকাতা লিগে অংশ নেবে না। তারা দল গঠন বা অনুশীলন কোনওটাই করে নি। তাহলে প্রশ্ন উঠছে কিভাবে তাদের লিগে নাম রাখা হল? নাম থাকলেও একই গ্রুপে কেন ওই তিনটি দল তাই নিয়েও সন্দিহান বাংলার ফুটবল মহল। কারণ ওই তিনটি দল যদি না খেলে, তাহলে তো গ্রুপ বি-তে থাকা বাকি দলরা তিনটি ম্যাচ না খেলেই ৯ পয়েন্ট ওয়াকওভার পেয়ে যাবে! ফলে কেন তাদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়।

যে লটারি করা হয়েছে সেক্ষেত্রে দুটি গ্রুপের শীর্ষে থাকা তিনটি করে দলকে নিয়ে সুপার সিক্স রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। একই ভাবে প্রতি গ্রুপে নিচের দিকে থাকা তিনটি করে দলকে নিয়ে রেলিগেশন রাউন্ড হবে। এবারের লিগে ভূমিপুত্রের সংখ্যা গতবারের মতো ছয় জন থাকছে। বৈঠকে ক্লাব প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইএফএ সভাপতি অজিত বন্দোপাধ্যায়, সচিব অনির্বাণ দত্ত, সহসচিব মহম্মদ জামাল, রাকেশ ঝা, সুদেষ্ণা মুখার্জী সহ অন্যান্যরা।
