ময়দান আপডেট: আইপিএলে গত মরসুমে পয়েন্ট টেবিলে সবার শেষে থেকেই এই মরসুমের অভিযান শুরু করেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। তবে এই মরসুমের শুরুটাও সেই হতাশাজনক ফলাফল দিয়েই শুরু হল ইয়েলো আর্মিদের। ফলে পাঁচবারের আইপিএল জয়ী কিংসদের রাজত্বে যে ভাঙন ধরেছে তা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এদিন গুয়াহাটিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালয়ের বোলিং আক্রমণের সামনে প্রথম ব্যাট করতে নেমে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন চেন্নাইয়ের ব্যাটাররা। জোফ্রা আর্চার, নানদ্রে বার্গার, রবীন্দ্র জাদেজাদের বোলিং এর সামনে একটা সময় মনে হচ্ছিল চেন্নাই হয়তো ১০০ রানও পার করতে পারবে না। তবে ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের বোলিং অলরাউন্ডার তথা ডান হাতি ব্যাটসম্যান জেমি ওভারটন একাই শেষ ওভার পর্যন্ত উইকেট ধরে রেখে লড়াই চালিয়ে গেলেন দুর্দান্ত মেজাজে। আর শেষ উইকেটে ব্যাট করতে এসে তাঁকে কিছুটা সঙ্গ দিলেন অংশুল কম্বোজ।

তাঁদের শেষ কয়েক ওভারের ব্যাটিং সৌজন্যে ১২৭ রানে অলআউট হয় সিএসকে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন ওভারটন। রাজস্থানের হয়ে ২ টি করে উইকেট নেন আর্চার, বার্গার ও জাদেজা।

আর লো-স্কোরিং টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে নেমেও এদিন কার্যত ঝড় তুললেন নিজের চেনা ছন্দে বৈভব সূর্যবংশি। ১৭ বলে ৫২ রানের একটা নজরকাড়া ইনিংস দলকে উপহার দেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৪ টে চার ও ৫ টা ছয়। পাশাপাশি ভালো ব্যাটিং প্রদর্শন করলেন আরেক ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। তিনি অপরাজিত থাকেন ৩৬ বলে ৩৮ রানে।

মাত্র ১২ ওভার ১ বলে ২ উইকেট হারিয়েই সহজে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। চেন্নাইয়ের হয়ে ২ টি উইকেটই নেন অংশুল কম্বোজ। ৪৭ বল বাকি থাকতেই ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে সফর যা বেশ ছন্দে শুরু করল রয়্যালস। ম্যাচের সেরা হন প্রোটিয়ান বাঁ-হাতি ফাস্ট বোলার নাদ্রে বার্গার।
কৃষ্ণনগরে জমজমাট দুইদিনব্যাপি আইপিএল ফ্যান পার্ক, ক্রিকেট উৎসবে জনজোয়ার
