ময়দান আপডেট: বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে গতবারের রার্নাসআপ দল ফ্রান্স আফ্রিকার অন্যতম ফেভারিট দল মরক্কোর বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে তারা যে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার। এইবারের বিশ্বকাপের শুরু থেকেই নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে ফ্রান্স। আর এদিন ২-০ গোলে মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল ফ্রান্স। এদিন খেলার গোটা প্রথমার্ধ জুড়েই একতরফা রাজ করল ফরাসিরা। ঘন ঘন আক্রমণে উঠছিল এমবাপ্পে, ডেম্বেলেরা। তবে প্রথমার্ধেই পেনাল্টিতে সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন এমবাপ্পে। যা হতাশ করে সমর্থকদের। তবে প্রথমার্ধে ফ্রান্সের একাধিক গোলের সুযোগ রুখে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো। না হলে এদিন আরও বড় ব্যবধানে জয় পেতে পারত ফ্রান্স।

তবে খেলার দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণের গতি বাড়ায় ফ্রান্স। আর সেই সুযোগে খেলার ৬০ মিনিটে ফ্রান্সের হয়ে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।মরক্কোর বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়েছিলেন এমবাপ্পে। আশেপাশে বেশ কয়েকজন মরক্কোর ফুটবলার ছিলেন। ডান দিকে সামান্য কাট করে চকিতে শট মারেন এমবাপ্পে। বোনো উড়ে গিয়েও বাঁচাতে পারেননি। এরপর ৬৬ মিনিটে ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি করেন উসমান ডেম্বেলে। এই গোলের ফলে ৮ গোল করে আবারও মেসিকে ছুঁয়ে ফেললেন এমবাপ্পে।

পাশাপাশি উল্লেখ্য কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মরক্কোর বিরুদ্ধে খেলেছিল ফ্রান্স। সেবার জিতেছিল ২-০ গোলে। এবারও ম্যাচের ফলাফল ঠিক তাই থাকল। তবে এদিন মরক্কোর ফুটবলে সেই রকম কোন ঝাঁজ খুঁজে পাওয়া গেল না। অথচ মরক্কোকে নিয়ে অনেকটাই প্রত্যাশা করেছিলেন সমর্থকরা। তবে ফ্রান্সের আক্রমণ সামলাতে দিশেহারা হয়ে গেল আফ্রিকার এই দেশ। অন্যদিকে এদিন ম্যাচ জয়ের ফলে ফ্রান্সের পরবর্তী প্রতিপক্ষ সেমিফাইনালে হতে চলেছে স্পেন অথবা বেলজিয়াম। তবে ফ্রান্স দল এবছর যে রকম ছন্দে রয়েছে তাতে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা জোরাল। আর এই বছর ফাইনালে উঠলে পরপর তিনবার বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে ফ্রান্স।বিশ্বকাপে টানা তিনবার ফাইনালে ওঠার নজির রয়েছে পূর্বতন পশ্চিম জার্মানি এবং ব্রাজিলের। ১৯৯৪-২০০২ টানা তিনবার ফাইনালে উঠেছিল ব্রাজিল। ট্রফি জিতেছিল দু’বার। পশ্চিম জার্মানি ১৯৮২-১৯৯০ ফাইনাল খেলেছিল। ট্রফি জিতেছিল একবার। এইবার সেই নজির স্পর্শ করতে পারে এমবাপ্পের দল।
আজ বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন বনাম বেলজিয়াম
